অবার্নের রাতটি যেন মেসির জন্য অপেক্ষা করছিল। যখন ঘড়ির কাঁটায় ৭০ মিনিট, জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামের আলোয় তখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন। লিওনেল মেসি। বুড়ো বালক, কালজয়ী জাদুকর। মাঠে পা রাখার পর প্রথম স্পর্শেই তিনি প্রমাণ করলেন- বয়স কখনো বাধা নয়, যদি হৃদয়ে লড়াই থাকে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে (বাংলাদেশ সময়) শেষ প্রীতি ম্যাচে আইসল্যান্ডকে ৩-০ উড়িয়ে দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শেষ করেছে আর্জেন্টিনা। আলাবামার জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে পুরো ম্যাচটাই ছিল আর্জেন্টিনার দাপটের এক অনবদ্য নিদর্শন।
ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনার নিয়ন্ত্রণে বল। আইসল্যান্ডের রক্ষণ যখন গুটিয়ে খেলছিল, তখনই আট মিনিটে ধরা খেলো তারা। পেনাল্টি এলাকার একটু বাইরে থেকে ভ্যালেন্টিন বার্কোর বাঁ-পায়ের জাদুতে বল জালে জড়ালে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে দল।
তবে পুরো ম্যাচের আসল রূপ ধরা পড়ল মেসি মাঠে নামার পর। বসে থাকতে না পেরে যেন একাই শুধু নজর পড়ত নক্ষত্রটির দিকে। সপ্তম মিনিটে মাঠে আসার সঙ্গে সঙ্গেই লাউতারো মার্তিনেজকে বল বাড়ালেন।
কিন্তু মার্তিনেজ পেনাল্টি বক্সে ফাউলের শিকার হন। ফিরিয়ে আনলেন পেনাল্টি। আর মেসি? মাটি ফুঁড়ে বল জালে জড়ালেন। ২-০। এটি আর্জেন্টিনার হয়ে তার ১১৭তম গোল।
তারপরেও শেষ নাটকীয়তা বাকি ছিল। ৮৭ মিনিটে আবারও মেসির ডানপ্রান্ত থেকে পাল্টা আক্রমণ। রদ্রিগো দে পল তাঁর নিখুঁত পাস পৌঁছে দেন থিয়াগো আলমাদাকে। গোল- ৩-০। আর্জেন্টিনার গ্রুপ জে-এর অস্ট্রিয়া আর জর্ডানের মতো দলগুলি হয়তো তখনই ভাবতে শুরু করে, ‘বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বড় চ্যালেঞ্জ হবে’।
গত অক্টোবর থেকে এটি আর্জেন্টিনার টানা সপ্তম জয়। বিশ্বকাপের আগে এমন ফর্ম চোখে পড়ার মতো।
আসছে ১৬ জুন কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শিরোপা রক্ষা শুরু করবে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ জে-এর অন্য প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া ও জর্ডান।
লিওনেল মেসি বুড়ো হচ্ছেন, কিন্তু তাঁর পায়ের যাদু এখনো একই। মাঠে নামলেন, দেখিয়ে দিলেন। আর আর্জেন্টিনার সম্ভাবনায় সুর মেলালেন স্বর্ণালী ট্রফির স্বপ্ন।
বিশ্বকাপের পথে সেই শুরুটা হলো এক দারুণ প্রত্যয়ের। শুধু নম্বর জয়ের নয়, আত্মবিশ্বাসের জয়। এখন প্রতিপক্ষরা ভয় পাবে। কিন্তু আর্জেন্টিনার কাছে সেটি শুধু আরও একবার প্রমাণ করার সুযোগ, ‘আমরাই সেরা, কেউ ধুলো মেখে বাড়ি ফিরবে’।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
অবার্নের রাতটি যেন মেসির জন্য অপেক্ষা করছিল। যখন ঘড়ির কাঁটায় ৭০ মিনিট, জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামের আলোয় তখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন। লিওনেল মেসি। বুড়ো বালক, কালজয়ী জাদুকর। মাঠে পা রাখার পর প্রথম স্পর্শেই তিনি প্রমাণ করলেন- বয়স কখনো বাধা নয়, যদি হৃদয়ে লড়াই থাকে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে (বাংলাদেশ সময়) শেষ প্রীতি ম্যাচে আইসল্যান্ডকে ৩-০ উড়িয়ে দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শেষ করেছে আর্জেন্টিনা। আলাবামার জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে পুরো ম্যাচটাই ছিল আর্জেন্টিনার দাপটের এক অনবদ্য নিদর্শন।
ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনার নিয়ন্ত্রণে বল। আইসল্যান্ডের রক্ষণ যখন গুটিয়ে খেলছিল, তখনই আট মিনিটে ধরা খেলো তারা। পেনাল্টি এলাকার একটু বাইরে থেকে ভ্যালেন্টিন বার্কোর বাঁ-পায়ের জাদুতে বল জালে জড়ালে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে দল।
তবে পুরো ম্যাচের আসল রূপ ধরা পড়ল মেসি মাঠে নামার পর। বসে থাকতে না পেরে যেন একাই শুধু নজর পড়ত নক্ষত্রটির দিকে। সপ্তম মিনিটে মাঠে আসার সঙ্গে সঙ্গেই লাউতারো মার্তিনেজকে বল বাড়ালেন।
কিন্তু মার্তিনেজ পেনাল্টি বক্সে ফাউলের শিকার হন। ফিরিয়ে আনলেন পেনাল্টি। আর মেসি? মাটি ফুঁড়ে বল জালে জড়ালেন। ২-০। এটি আর্জেন্টিনার হয়ে তার ১১৭তম গোল।
তারপরেও শেষ নাটকীয়তা বাকি ছিল। ৮৭ মিনিটে আবারও মেসির ডানপ্রান্ত থেকে পাল্টা আক্রমণ। রদ্রিগো দে পল তাঁর নিখুঁত পাস পৌঁছে দেন থিয়াগো আলমাদাকে। গোল- ৩-০। আর্জেন্টিনার গ্রুপ জে-এর অস্ট্রিয়া আর জর্ডানের মতো দলগুলি হয়তো তখনই ভাবতে শুরু করে, ‘বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বড় চ্যালেঞ্জ হবে’।
গত অক্টোবর থেকে এটি আর্জেন্টিনার টানা সপ্তম জয়। বিশ্বকাপের আগে এমন ফর্ম চোখে পড়ার মতো।
আসছে ১৬ জুন কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শিরোপা রক্ষা শুরু করবে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ জে-এর অন্য প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া ও জর্ডান।
লিওনেল মেসি বুড়ো হচ্ছেন, কিন্তু তাঁর পায়ের যাদু এখনো একই। মাঠে নামলেন, দেখিয়ে দিলেন। আর আর্জেন্টিনার সম্ভাবনায় সুর মেলালেন স্বর্ণালী ট্রফির স্বপ্ন।
বিশ্বকাপের পথে সেই শুরুটা হলো এক দারুণ প্রত্যয়ের। শুধু নম্বর জয়ের নয়, আত্মবিশ্বাসের জয়। এখন প্রতিপক্ষরা ভয় পাবে। কিন্তু আর্জেন্টিনার কাছে সেটি শুধু আরও একবার প্রমাণ করার সুযোগ, ‘আমরাই সেরা, কেউ ধুলো মেখে বাড়ি ফিরবে’।

আপনার মতামত লিখুন