সংবাদ

আরও ৮ শিশুর প্রাণহানি, মৃত্যু বেড়ে ৬৩৯


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

আরও ৮ শিশুর প্রাণহানি, মৃত্যু বেড়ে ৬৩৯
প্রতীকী ছবি।

হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজন শিশু মারা গেছে। বুধবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, আক্রান্তের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩৯ জনে। এদের মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯২ জন আর সন্দেহজনক হামের উপসর্গে মারা গেছে ৫৪৭ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

একদিনে নতুন করে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯৪ জনের। আর সন্দেহজনক হামের রোগী পাওয়া গেছে ৯৪৫ জন, যাদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। সব মিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী বেড়েছে ১ হাজার ৩৯ জন।

শুরু থেকে হিসাব করলে দেখা যাচ্ছে, ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার জন। আর যাদের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে, তাদের সংখ্যা ৮২ হাজারের বেশি। এর মধ্যে ৬৭ হাজারের বেশি শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৬৩ হাজারের বেশি শিশু।

ঢাকাতেই হামের প্রকাপ সবচেয়ে মারাত্মক। নিশ্চিত হামে মারা যাওয়া ৯২ জনের মধ্যে ৫৬ জনই ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। সন্দেহজনক হামের উপসর্গে ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ২২৯ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে রাজশাহী বিভাগ, সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৮৬ জনের। এছাড়া সিলেট ৬৬, ময়মনসিংহ ৫০, চট্টগ্রাম ৪৭, বরিশাল ৩৮, খুলনা ২৩ ও রংপুর বিভাগে মারা গেছেন আটজন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, হাম প্রতিরোধে একমাত্র ভরসা টিকাদান। শিশুদের যেন সময়মতো টিকা দেওয়া হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে অভিভাবকদের। তবে এবারের প্রাদুর্ভাবে দেখা যাচ্ছে, যে শিশুরা আগে টিকা পায়নি, তারাই বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর মুখে পড়ছে।

পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। দিন দিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে পরিস্থিতি ভয়াবহ। সরকারের পক্ষ থেকে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শিশুর জ্বর, সর্দি, কাশি ও গায়ে ফুসকুড়ি দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


আরও ৮ শিশুর প্রাণহানি, মৃত্যু বেড়ে ৬৩৯

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬

featured Image

হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজন শিশু মারা গেছে। বুধবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, আক্রান্তের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩৯ জনে। এদের মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯২ জন আর সন্দেহজনক হামের উপসর্গে মারা গেছে ৫৪৭ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

একদিনে নতুন করে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯৪ জনের। আর সন্দেহজনক হামের রোগী পাওয়া গেছে ৯৪৫ জন, যাদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। সব মিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী বেড়েছে ১ হাজার ৩৯ জন।

শুরু থেকে হিসাব করলে দেখা যাচ্ছে, ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার জন। আর যাদের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে, তাদের সংখ্যা ৮২ হাজারের বেশি। এর মধ্যে ৬৭ হাজারের বেশি শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৬৩ হাজারের বেশি শিশু।

ঢাকাতেই হামের প্রকাপ সবচেয়ে মারাত্মক। নিশ্চিত হামে মারা যাওয়া ৯২ জনের মধ্যে ৫৬ জনই ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। সন্দেহজনক হামের উপসর্গে ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ২২৯ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে রাজশাহী বিভাগ, সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৮৬ জনের। এছাড়া সিলেট ৬৬, ময়মনসিংহ ৫০, চট্টগ্রাম ৪৭, বরিশাল ৩৮, খুলনা ২৩ ও রংপুর বিভাগে মারা গেছেন আটজন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, হাম প্রতিরোধে একমাত্র ভরসা টিকাদান। শিশুদের যেন সময়মতো টিকা দেওয়া হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে অভিভাবকদের। তবে এবারের প্রাদুর্ভাবে দেখা যাচ্ছে, যে শিশুরা আগে টিকা পায়নি, তারাই বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর মুখে পড়ছে।

পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। দিন দিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে পরিস্থিতি ভয়াবহ। সরকারের পক্ষ থেকে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শিশুর জ্বর, সর্দি, কাশি ও গায়ে ফুসকুড়ি দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত