প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য জহিরুল
ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে
মন্ত্রী এ কথা বলেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টি বর্তমান সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে বলেও তিনি সংসদকে
আশ্বস্ত করেন।
সংসদে
দেওয়া বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনের সময়কাল ও প্রস্তুতি নিয়ে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। স্বতন্ত্র সংসদ
সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "স্থানীয়
সরকার নির্বাচন সাধারণত ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত
হয়। সব স্তরের নির্বাচন
সম্পন্ন করতে অন্তত ১০
মাস থেকে এক বছর
সময়ের প্রয়োজন হয়। নির্বাচন অনুষ্ঠানের
ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচনি সামগ্রী সংগ্রহ, ধর্মীয় উৎসব, পাবলিক পরীক্ষা, আবহাওয়া পরিস্থিতি, কেন্দ্র সংস্কার এবং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের
মতো বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হয়। মূলত
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য ন্যূনতম ৪৫
দিনের প্রাক-প্রস্তুতির প্রয়োজন থাকে।"
এদিকে,
বহুল আলোচিত ইভিএম পদ্ধতি নিয়ে সরকারের অবস্থান
পরিষ্কার করেছেন মন্ত্রী। বিএনপির সংসদ সদস্য শামছুর
রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বর্তমান
সরকার জাতীয় বা স্থানীয় কোনো
নির্বাচনেই আর ইভিএম ব্যবহার
করবে না।
মন্ত্রী
বলেন, "জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের
কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে না বলে
নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে ব্যবহৃত ইভিএমগুলো বিভিন্ন গোডাউন ও বিএমটিএফ এ
সংরক্ষিত রয়েছে।"
এছাড়া
বিগত সময়ে ইভিএম ক্রয়ের
ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন,
"তিন হাজার ৮২৫ কোটি টাকা
ব্যয়ে দেড় লাখ ইভিএম
কেনার প্রকল্পে অডিট আপত্তি উঠেছে
এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত
চলমান রয়েছে।"
একই
অধিবেশনে বিভাগ গঠন নিয়ে নতুন
তথ্য দেন মন্ত্রী। ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ
সদস্য ইলিয়াস মোল্লার প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ফরিদপুর ও কুমিল্লা নামে
দুটি নতুন বিভাগ গঠনের
আনুষ্ঠানিক সুপারিশ করেছে। প্রস্তাবিত ফরিদপুর বিভাগে ঢাকা বিভাগের পাঁচটি
জেলা—ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও শরীয়তপুরকে অন্তর্ভুক্ত
করার কথা বলা হয়েছে।
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) আগামী বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি
উল্লেখ করেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য জহিরুল
ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে
মন্ত্রী এ কথা বলেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টি বর্তমান সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে বলেও তিনি সংসদকে
আশ্বস্ত করেন।
সংসদে
দেওয়া বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনের সময়কাল ও প্রস্তুতি নিয়ে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। স্বতন্ত্র সংসদ
সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "স্থানীয়
সরকার নির্বাচন সাধারণত ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত
হয়। সব স্তরের নির্বাচন
সম্পন্ন করতে অন্তত ১০
মাস থেকে এক বছর
সময়ের প্রয়োজন হয়। নির্বাচন অনুষ্ঠানের
ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচনি সামগ্রী সংগ্রহ, ধর্মীয় উৎসব, পাবলিক পরীক্ষা, আবহাওয়া পরিস্থিতি, কেন্দ্র সংস্কার এবং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের
মতো বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হয়। মূলত
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য ন্যূনতম ৪৫
দিনের প্রাক-প্রস্তুতির প্রয়োজন থাকে।"
এদিকে,
বহুল আলোচিত ইভিএম পদ্ধতি নিয়ে সরকারের অবস্থান
পরিষ্কার করেছেন মন্ত্রী। বিএনপির সংসদ সদস্য শামছুর
রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বর্তমান
সরকার জাতীয় বা স্থানীয় কোনো
নির্বাচনেই আর ইভিএম ব্যবহার
করবে না।
মন্ত্রী
বলেন, "জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের
কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে না বলে
নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে ব্যবহৃত ইভিএমগুলো বিভিন্ন গোডাউন ও বিএমটিএফ এ
সংরক্ষিত রয়েছে।"
এছাড়া
বিগত সময়ে ইভিএম ক্রয়ের
ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন,
"তিন হাজার ৮২৫ কোটি টাকা
ব্যয়ে দেড় লাখ ইভিএম
কেনার প্রকল্পে অডিট আপত্তি উঠেছে
এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত
চলমান রয়েছে।"
একই
অধিবেশনে বিভাগ গঠন নিয়ে নতুন
তথ্য দেন মন্ত্রী। ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ
সদস্য ইলিয়াস মোল্লার প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ফরিদপুর ও কুমিল্লা নামে
দুটি নতুন বিভাগ গঠনের
আনুষ্ঠানিক সুপারিশ করেছে। প্রস্তাবিত ফরিদপুর বিভাগে ঢাকা বিভাগের পাঁচটি
জেলা—ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও শরীয়তপুরকে অন্তর্ভুক্ত
করার কথা বলা হয়েছে।
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) আগামী বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি
উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন