ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশকালে মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে একটি রাজনৈতিক দলের করা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর
অভিযোগ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে ইভার্স ইজাবস বলেন, “আমাদের দীর্ঘ পর্যবেক্ষণে ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং আমাদের নজরে পড়েনি। তবে কোনো
দলের যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তবে তারা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিতে পারেন।”
২০২৫ সালের শেষ দিক থেকেই ইইউ-এর এই পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশে
অবস্থান করছে। তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়:
মিশনটি এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ
প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। আজকের সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের সামগ্রিক পরিবেশ, ভোটাধিকার
প্রয়োগ এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়। আন্তর্জাতিক এই
মিশনের দেওয়া সার্টিফিকেট বর্তমান নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে
বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সংবাদ সম্মেলনে ইইউ মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দেশি-বিদেশি
গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশকালে মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে একটি রাজনৈতিক দলের করা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর
অভিযোগ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে ইভার্স ইজাবস বলেন, “আমাদের দীর্ঘ পর্যবেক্ষণে ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং আমাদের নজরে পড়েনি। তবে কোনো
দলের যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তবে তারা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিতে পারেন।”
২০২৫ সালের শেষ দিক থেকেই ইইউ-এর এই পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশে
অবস্থান করছে। তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়:
মিশনটি এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ
প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। আজকের সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের সামগ্রিক পরিবেশ, ভোটাধিকার
প্রয়োগ এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়। আন্তর্জাতিক এই
মিশনের দেওয়া সার্টিফিকেট বর্তমান নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে
বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সংবাদ সম্মেলনে ইইউ মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দেশি-বিদেশি
গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন