মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় দরিদ্র্য জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ ভিজিডি কর্মসূচির চাল পাচারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসন ৪২২ বস্তা চালসহ একটি ট্রাক জব্দ করেছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ভিজিডি কর্মসূচির চাল পাচারের অভিযোগ নতুন নয়। মাদারীপুরের ডাসারের ঘটনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, চাল পাচার বন্ধ করা যায়নি। এখনও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভিজিডি কর্মসূচির চাল পাচারের ঘটনা ঘটছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পাচারের ঘটনা প্রকাশ পাচ্ছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা প্রকাশ পাচ্ছে না। পাচারের যেসব ঘটনা প্রকাশ পায় তা নিয়ে হৈচৈ হয়, গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কিন্তু পাচার বন্ধ হয় না।
দরিদ্র্যদের পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিশেষভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এই চাল খোলা বাজারে বিক্রি বা অন্যত্র স্থানান্তরের কোনো সুযোগ নেই। অথচ এই নিয়ম ভেঙে চাল ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়েছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন অভিযান চালিয়ে চাল জব্দ করে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেছেন, চাল তার নিজস্ব এবং গোপালগঞ্জের চালকলে নেয়া হচ্ছিল। তবে এ ধরনের ব্যাখ্যা যথেষ্ট নয়। কারণ সরকারি কর্মসূচির চাল কীভাবে ব্যক্তিগত মিলে এসেছে, আর সেই চাল কেনইবা গোপনে পরিবহন করা হচ্ছিল সেটা জানা দরকার।
রাষ্ট্রের বিভিন্ন কর্মসূচির চাল যদি পাচার হয়, তাহলে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হয়। পাচারের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা উচিত। তদন্তের ভিত্তি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে। এই প্রতিশ্রুতি যেন কেবল কথায় সীমাবদ্ধ না থাকে সেটা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় দরিদ্র্য জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ ভিজিডি কর্মসূচির চাল পাচারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসন ৪২২ বস্তা চালসহ একটি ট্রাক জব্দ করেছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ভিজিডি কর্মসূচির চাল পাচারের অভিযোগ নতুন নয়। মাদারীপুরের ডাসারের ঘটনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, চাল পাচার বন্ধ করা যায়নি। এখনও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভিজিডি কর্মসূচির চাল পাচারের ঘটনা ঘটছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পাচারের ঘটনা প্রকাশ পাচ্ছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা প্রকাশ পাচ্ছে না। পাচারের যেসব ঘটনা প্রকাশ পায় তা নিয়ে হৈচৈ হয়, গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কিন্তু পাচার বন্ধ হয় না।
দরিদ্র্যদের পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিশেষভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এই চাল খোলা বাজারে বিক্রি বা অন্যত্র স্থানান্তরের কোনো সুযোগ নেই। অথচ এই নিয়ম ভেঙে চাল ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়েছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন অভিযান চালিয়ে চাল জব্দ করে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেছেন, চাল তার নিজস্ব এবং গোপালগঞ্জের চালকলে নেয়া হচ্ছিল। তবে এ ধরনের ব্যাখ্যা যথেষ্ট নয়। কারণ সরকারি কর্মসূচির চাল কীভাবে ব্যক্তিগত মিলে এসেছে, আর সেই চাল কেনইবা গোপনে পরিবহন করা হচ্ছিল সেটা জানা দরকার।
রাষ্ট্রের বিভিন্ন কর্মসূচির চাল যদি পাচার হয়, তাহলে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হয়। পাচারের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা উচিত। তদন্তের ভিত্তি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে। এই প্রতিশ্রুতি যেন কেবল কথায় সীমাবদ্ধ না থাকে সেটা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন