সংবাদ

করিমগঞ্জে ধনু নদীর পানি বৃদ্ধি, ফেরি চলাচল ব্যাহত


প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম

করিমগঞ্জে ধনু নদীর পানি বৃদ্ধি, ফেরি চলাচল ব্যাহত
কিশোরগঞ্জের বালিখলা ফেরিঘাটে পানি ওঠায় ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। ছবি : সংবাদ

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে ধনু নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বালিখলা ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক ও পন্টুন তলিয়ে গেছে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর একটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এ সময় হাওরের বোরো ধানের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে যাওয়া জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের একটি দল ও ধানবোঝাই কয়েক’শ ট্রাক দুই পাড়ে আটকা পড়ে।

ফেরিঘাট এলাকা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার থেকে ধনু নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। পানি বেড়ে যাওয়ায় ফেরিতে ওঠার রাস্তা ও পন্টুন তলিয়ে গেছে। এর আগে পণ্যবাহী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘাটে আটকা পড়েন। এ ছাড়া ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম থেকে ধান নিয়ে আসা কয়েক’শ ট্রাকও আটকা পড়ে। পরে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু করা হয়।

ফেরিঘাটের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান ঐশী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আজহারুল ইসলাম ফকির বলেন, রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে সওজ বিভাগের নির্দেশে ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছিল। এতে জেলা প্রশাসকের গাড়িসহ দুই পাড়ে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে। পরে আবার নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে ফেরি চালু করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল সংবাদকে বলেন, পানি বেড়ে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সাবধানতা অবলম্বনের জন্য সাময়িকভাবে পারাপার বন্ধ রাখা হয়েছিল। জেলা প্রশাসক ওই পাড়ে আটকা পড়েছেন জানার পর পুনরায় ফেরি চালু করা হয়েছে। তবে চালকদের সাবধানে গাড়ি ওঠানামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, হাওর অঞ্চলের ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামের হাজার হাজার কৃষকের উৎপাদিত ধান এই ফেরি দিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ধান পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


করিমগঞ্জে ধনু নদীর পানি বৃদ্ধি, ফেরি চলাচল ব্যাহত

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে ধনু নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বালিখলা ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক ও পন্টুন তলিয়ে গেছে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর একটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এ সময় হাওরের বোরো ধানের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে যাওয়া জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের একটি দল ও ধানবোঝাই কয়েক’শ ট্রাক দুই পাড়ে আটকা পড়ে।

ফেরিঘাট এলাকা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার থেকে ধনু নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। পানি বেড়ে যাওয়ায় ফেরিতে ওঠার রাস্তা ও পন্টুন তলিয়ে গেছে। এর আগে পণ্যবাহী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘাটে আটকা পড়েন। এ ছাড়া ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম থেকে ধান নিয়ে আসা কয়েক’শ ট্রাকও আটকা পড়ে। পরে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু করা হয়।

ফেরিঘাটের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান ঐশী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আজহারুল ইসলাম ফকির বলেন, রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে সওজ বিভাগের নির্দেশে ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছিল। এতে জেলা প্রশাসকের গাড়িসহ দুই পাড়ে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে। পরে আবার নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে ফেরি চালু করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল সংবাদকে বলেন, পানি বেড়ে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সাবধানতা অবলম্বনের জন্য সাময়িকভাবে পারাপার বন্ধ রাখা হয়েছিল। জেলা প্রশাসক ওই পাড়ে আটকা পড়েছেন জানার পর পুনরায় ফেরি চালু করা হয়েছে। তবে চালকদের সাবধানে গাড়ি ওঠানামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, হাওর অঞ্চলের ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামের হাজার হাজার কৃষকের উৎপাদিত ধান এই ফেরি দিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ধান পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত