হরমুজ প্রণালিতে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা ও অচলাবস্থা নিয়ে বিশ্ববাসীকে চরম সতর্কবার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি জানিয়েছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি দীর্ঘ সময় রুদ্ধ থাকলে বিশ্ব অর্থনীতি কার্যত থমকে যাবে, যা কোটি কোটি মানুষকে দারিদ্র্য ও চরম ক্ষুধার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে গুতেরেস বলেন,
"এই সংকীর্ণ জলপথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতির শ্বাস রোধ হচ্ছে।"
তিনি এই প্রণালিতে অবাধ নৌ-চলাচলের ওপর আরোপিত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা জানান।
জাতিসংঘ মহাসচিব বর্তমান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে বিশ্ব
অর্থনীতির তিনটি সম্ভাব্য গতিপথ তুলে ধরেন:
১. প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি: গুতেরেস জানান, পরিস্থিতি
খুব দ্রুত স্বাভাবিক হলেও বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশ থেকে কমে ৩.১ শতাংশে নেমে আসবে।
একই সঙ্গে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে ৪.৪ শতাংশে দাঁড়াবে। ২. দারিদ্র্য ও ক্ষুধা: যদি
ইরানের হুমকি এবং বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধের কারণে সৃষ্ট অচলাবস্থা বছরের মাঝামাঝি
পর্যন্ত বজায় থাকে, তবে বিশ্বের অন্তত ৩ কোটি ২০ লাখ (৩২ মিলিয়ন) মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের
কবলে পড়বে। ৩. খাদ্য সংকট: সারের ঘাটতির কারণে ফসলের ফলন কমে যাওয়ায় আরও ৪ কোটি
৫০ লাখ (৪৫ মিলিয়ন) মানুষ চরম ক্ষুধার সম্মুখীন হতে পারে।
গুতেরেস সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি যত বেশি দিন বন্ধ
থাকবে, এর নাটকীয় প্রভাব মানুষের জীবন, সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর ততটাই
তীব্র হবে। এতে বিশ্ব একটি গভীর মন্দার মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে মার্কিন-ইরান আলোচনার অচলাবস্থা ভাঙতে চলা কূটনৈতিক
প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। মহাসচিব বলেন,
"সব পক্ষের প্রতি আমার বার্তা স্পষ্ট নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা অবিলম্বে ফিরিয়ে দিন।
প্রণালিটি খুলে দিন এবং সব জাহাজকে যেতে দিন। বিশ্ব অর্থনীতিকে আবার শ্বাস নিতে দিন।"

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা ও অচলাবস্থা নিয়ে বিশ্ববাসীকে চরম সতর্কবার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি জানিয়েছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি দীর্ঘ সময় রুদ্ধ থাকলে বিশ্ব অর্থনীতি কার্যত থমকে যাবে, যা কোটি কোটি মানুষকে দারিদ্র্য ও চরম ক্ষুধার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে গুতেরেস বলেন,
"এই সংকীর্ণ জলপথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতির শ্বাস রোধ হচ্ছে।"
তিনি এই প্রণালিতে অবাধ নৌ-চলাচলের ওপর আরোপিত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা জানান।
জাতিসংঘ মহাসচিব বর্তমান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে বিশ্ব
অর্থনীতির তিনটি সম্ভাব্য গতিপথ তুলে ধরেন:
১. প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি: গুতেরেস জানান, পরিস্থিতি
খুব দ্রুত স্বাভাবিক হলেও বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশ থেকে কমে ৩.১ শতাংশে নেমে আসবে।
একই সঙ্গে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে ৪.৪ শতাংশে দাঁড়াবে। ২. দারিদ্র্য ও ক্ষুধা: যদি
ইরানের হুমকি এবং বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধের কারণে সৃষ্ট অচলাবস্থা বছরের মাঝামাঝি
পর্যন্ত বজায় থাকে, তবে বিশ্বের অন্তত ৩ কোটি ২০ লাখ (৩২ মিলিয়ন) মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের
কবলে পড়বে। ৩. খাদ্য সংকট: সারের ঘাটতির কারণে ফসলের ফলন কমে যাওয়ায় আরও ৪ কোটি
৫০ লাখ (৪৫ মিলিয়ন) মানুষ চরম ক্ষুধার সম্মুখীন হতে পারে।
গুতেরেস সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি যত বেশি দিন বন্ধ
থাকবে, এর নাটকীয় প্রভাব মানুষের জীবন, সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর ততটাই
তীব্র হবে। এতে বিশ্ব একটি গভীর মন্দার মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে মার্কিন-ইরান আলোচনার অচলাবস্থা ভাঙতে চলা কূটনৈতিক
প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। মহাসচিব বলেন,
"সব পক্ষের প্রতি আমার বার্তা স্পষ্ট নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা অবিলম্বে ফিরিয়ে দিন।
প্রণালিটি খুলে দিন এবং সব জাহাজকে যেতে দিন। বিশ্ব অর্থনীতিকে আবার শ্বাস নিতে দিন।"

আপনার মতামত লিখুন