ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চালানো সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানকে ‘আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এর তীব্র সমালোচনা করেছে তেহরান। একইসঙ্গে এই হামলাকে ‘আত্মরক্ষা’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার মার্কিন দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই।
শুক্রবার (১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার)
দেওয়া এক পোস্টে বাঘেই মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি নথি তুলে ধরে তেহরানের অবস্থান
পরিষ্কার করেন।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওই নথিতে দাবি করা হয়েছিল,
যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দেশ ইসরায়েলের ‘সম্মিলিত আত্মরক্ষা’র অনুরোধে এবং নিজের ‘অন্তর্নিহিত
আত্মরক্ষার অধিকার’ প্রয়োগের অংশ হিসেবে এই দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়েছে।
এই দাবির প্রেক্ষিতে কঠোর প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে ইসমাইল বাঘেই
বলেন, “কিসের বিরুদ্ধে এই ‘আত্মরক্ষা’?” তিনি আরও যোগ করেন, “আমেরিকার আত্মরক্ষার দাবিকে
বৈধতা দেওয়ার মতো ইরানের পক্ষ থেকে কি কোনো ‘সশস্ত্র হামলা’ হয়েছিল? অবশ্যই না!”
বাঘেই জোর দিয়ে বলেন, যেহেতু ইরানের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের
পূর্ববর্তী সশস্ত্র হামলা হয়নি, সেহেতু আন্তর্জাতিক আইনের দোহাই দিয়ে একে আত্মরক্ষা
বলার কোনো সুযোগ নেই। বরং এটি ছিল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের
সুস্পষ্ট সামরিক আগ্রাসন।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের
এই সামরিক পদক্ষেপ ও ইরানের কড়া জবাব অঞ্চলটিকে এক ভয়াবহ সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে
বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চালানো সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানকে ‘আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এর তীব্র সমালোচনা করেছে তেহরান। একইসঙ্গে এই হামলাকে ‘আত্মরক্ষা’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার মার্কিন দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই।
শুক্রবার (১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার)
দেওয়া এক পোস্টে বাঘেই মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি নথি তুলে ধরে তেহরানের অবস্থান
পরিষ্কার করেন।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওই নথিতে দাবি করা হয়েছিল,
যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দেশ ইসরায়েলের ‘সম্মিলিত আত্মরক্ষা’র অনুরোধে এবং নিজের ‘অন্তর্নিহিত
আত্মরক্ষার অধিকার’ প্রয়োগের অংশ হিসেবে এই দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়েছে।
এই দাবির প্রেক্ষিতে কঠোর প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে ইসমাইল বাঘেই
বলেন, “কিসের বিরুদ্ধে এই ‘আত্মরক্ষা’?” তিনি আরও যোগ করেন, “আমেরিকার আত্মরক্ষার দাবিকে
বৈধতা দেওয়ার মতো ইরানের পক্ষ থেকে কি কোনো ‘সশস্ত্র হামলা’ হয়েছিল? অবশ্যই না!”
বাঘেই জোর দিয়ে বলেন, যেহেতু ইরানের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের
পূর্ববর্তী সশস্ত্র হামলা হয়নি, সেহেতু আন্তর্জাতিক আইনের দোহাই দিয়ে একে আত্মরক্ষা
বলার কোনো সুযোগ নেই। বরং এটি ছিল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের
সুস্পষ্ট সামরিক আগ্রাসন।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের
এই সামরিক পদক্ষেপ ও ইরানের কড়া জবাব অঞ্চলটিকে এক ভয়াবহ সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে
বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন