মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী ও নোবেলজয়ী অং সান সু চিকে কারাগার থেকে সরিয়ে গৃহবন্দি করা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কারাগার থেকে স্থানান্তরের পাশাপাশি আজ মিয়ানমার সরকার সু
চির সাজার মেয়াদ মোট মেয়াদের ছয় ভাগের এক ভাগ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে সাজার অবশিষ্ট
সময় তিনি গৃহবন্দি অবস্থায় কাটাবেন কি না, কিংবা তাঁকে পূর্ণ মুক্তি দেওয়া হবে কি না সে
বিষয়ে জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে
অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী। এরপর থেকেই ৮০
বছর বয়সী এই নেত্রীকে রাজধানী নাইপিদোর একটি নির্জন কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছিল। তাঁর
বিরুদ্ধে দুর্নীতি, নির্বাচনে জালিয়াতি, উসকানি এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনসহ
একগুচ্ছ অভিযোগে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
সু চিকে কারাগার থেকে সরানোর বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও
বিশ্বনেতারা তাঁর পূর্ণ মুক্তি এবং মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছেন।
দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় ধরে কারান্তরীণ থাকায় সু চির স্বাস্থ্য নিয়ে তাঁর সমর্থক
ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিল।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী ও নোবেলজয়ী অং সান সু চিকে কারাগার থেকে সরিয়ে গৃহবন্দি করা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কারাগার থেকে স্থানান্তরের পাশাপাশি আজ মিয়ানমার সরকার সু
চির সাজার মেয়াদ মোট মেয়াদের ছয় ভাগের এক ভাগ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে সাজার অবশিষ্ট
সময় তিনি গৃহবন্দি অবস্থায় কাটাবেন কি না, কিংবা তাঁকে পূর্ণ মুক্তি দেওয়া হবে কি না সে
বিষয়ে জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে
অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী। এরপর থেকেই ৮০
বছর বয়সী এই নেত্রীকে রাজধানী নাইপিদোর একটি নির্জন কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছিল। তাঁর
বিরুদ্ধে দুর্নীতি, নির্বাচনে জালিয়াতি, উসকানি এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনসহ
একগুচ্ছ অভিযোগে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
সু চিকে কারাগার থেকে সরানোর বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও
বিশ্বনেতারা তাঁর পূর্ণ মুক্তি এবং মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছেন।
দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় ধরে কারান্তরীণ থাকায় সু চির স্বাস্থ্য নিয়ে তাঁর সমর্থক
ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিল।

আপনার মতামত লিখুন