একাত্তরের জামায়াতে ইসলামী আর বর্তমান জামায়াত এক নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানিয়েছেন, সময়ের প্রয়োজনে দলের গঠনতন্ত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং বর্তমান গঠনতন্ত্রের ভূমিকায় মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর বিষয়টি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) সকালে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বাংলাদেশ শ্রমিক
কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগর শাখা আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের তিনি
এসব কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, দলের আমূল পরিবর্তনের পরেও
একটি মহল পুরোনো বিতর্ককে জিইয়ে রাখতে চাইছে। তিনি বলেন, “পুরোনো বিতর্ক জিইয়ে রাখা
দেশপ্রেম বা স্বাধীনতার চেতনার বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং এটি জাতিকে বিভক্ত করার একটি বিদেশি
ষড়যন্ত্রের অংশ। দেশের স্বার্থে এসব বিতর্কের দ্রুত সমাধান হওয়া জরুরি।”
নতুন প্রজন্মকে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিতে জাতীয়
ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “আমাদের আমিরে জামায়াত (ডা. শফিকুর রহমান)
স্পষ্ট বলেছেন ইতিহাস নিয়ে পড়ে থাকলে আমরা কখনো নতুন ইতিহাস রচনা করতে পারবো না।
আমাদের পরে স্বাধীন হয়েও অনেক দেশ উন্নতির শিখরে পৌঁছে গেছে।”
তিনি বর্তমান সংসদ সদস্যদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “বর্তমানে
যারা পার্লামেন্টে আছেন, তাদের অধিকাংশের জন্ম স্বাধীনতার পরে। আপনি কাকে স্বাধীনতা
বিরোধী বা রাজাকার বলবেন? এসব শুনলে জনগণ এখন হাসে।”
এর আগে শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি শ্রমিকদের
ন্যায্য মজুরি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি বলেন, শ্রমিকদের
জীবনমান উন্নত না হলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের স্থানীয়
ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
একাত্তরের জামায়াতে ইসলামী আর বর্তমান জামায়াত এক নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানিয়েছেন, সময়ের প্রয়োজনে দলের গঠনতন্ত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং বর্তমান গঠনতন্ত্রের ভূমিকায় মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর বিষয়টি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) সকালে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বাংলাদেশ শ্রমিক
কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগর শাখা আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের তিনি
এসব কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, দলের আমূল পরিবর্তনের পরেও
একটি মহল পুরোনো বিতর্ককে জিইয়ে রাখতে চাইছে। তিনি বলেন, “পুরোনো বিতর্ক জিইয়ে রাখা
দেশপ্রেম বা স্বাধীনতার চেতনার বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং এটি জাতিকে বিভক্ত করার একটি বিদেশি
ষড়যন্ত্রের অংশ। দেশের স্বার্থে এসব বিতর্কের দ্রুত সমাধান হওয়া জরুরি।”
নতুন প্রজন্মকে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিতে জাতীয়
ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “আমাদের আমিরে জামায়াত (ডা. শফিকুর রহমান)
স্পষ্ট বলেছেন ইতিহাস নিয়ে পড়ে থাকলে আমরা কখনো নতুন ইতিহাস রচনা করতে পারবো না।
আমাদের পরে স্বাধীন হয়েও অনেক দেশ উন্নতির শিখরে পৌঁছে গেছে।”
তিনি বর্তমান সংসদ সদস্যদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “বর্তমানে
যারা পার্লামেন্টে আছেন, তাদের অধিকাংশের জন্ম স্বাধীনতার পরে। আপনি কাকে স্বাধীনতা
বিরোধী বা রাজাকার বলবেন? এসব শুনলে জনগণ এখন হাসে।”
এর আগে শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি শ্রমিকদের
ন্যায্য মজুরি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি বলেন, শ্রমিকদের
জীবনমান উন্নত না হলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের স্থানীয়
ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন