সংসদে আইন পাসের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামীর মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি হওয়ার বিষয়টি এখন ‘প্রতিষ্ঠিত সত্য’ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শুক্রবার (১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপায় মহান মে দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, “জামায়াতের পূর্বসূরিরা যে মহান মুক্তিযুদ্ধের
বিরোধিতা করেছিল, তা অস্বীকার করার আর কোনো সুযোগ নেই। এই সংসদে আমরা ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা
কাউন্সিল (সংশোধন) আইন-২০২৬’ পাস করেছি। সেই আইনের ২ নম্বর ধারার ১০ নম্বর উপধারায়
প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী জামায়াত এই দেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি এটি এখন একটি
প্রতিষ্ঠিত সত্য।”
সংসদে বিলটি উত্থাপনের সময়কার পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী
বলেন, “আমরা যখন বিলটি পার্লামেন্টে আনলাম, তখন জামায়াতে ইসলামী এর বিরোধিতা করেনি;
বরং তারা চুপ ছিল। আমরা জানি মৌনতা সম্মতির লক্ষণ।” তিনি আরও যোগ করেন যে, এনসিপি লিখিতভাবে
এই বিলে সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে আসাদুজ্জামান
বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নে যা যা করা প্রয়োজন, বিএনপি সরকার তার সবটুকুই করবে।” তবে
গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “গণভোটের একটা অংশে প্রতারণা আছে। বিএনপি কোনো ধরনের
প্রতারণার অংশের সাথে নেই।”
শৈলকূপায় আয়োজিত এই সভায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক
নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
সংসদে আইন পাসের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামীর মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি হওয়ার বিষয়টি এখন ‘প্রতিষ্ঠিত সত্য’ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শুক্রবার (১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপায় মহান মে দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, “জামায়াতের পূর্বসূরিরা যে মহান মুক্তিযুদ্ধের
বিরোধিতা করেছিল, তা অস্বীকার করার আর কোনো সুযোগ নেই। এই সংসদে আমরা ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা
কাউন্সিল (সংশোধন) আইন-২০২৬’ পাস করেছি। সেই আইনের ২ নম্বর ধারার ১০ নম্বর উপধারায়
প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী জামায়াত এই দেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি এটি এখন একটি
প্রতিষ্ঠিত সত্য।”
সংসদে বিলটি উত্থাপনের সময়কার পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী
বলেন, “আমরা যখন বিলটি পার্লামেন্টে আনলাম, তখন জামায়াতে ইসলামী এর বিরোধিতা করেনি;
বরং তারা চুপ ছিল। আমরা জানি মৌনতা সম্মতির লক্ষণ।” তিনি আরও যোগ করেন যে, এনসিপি লিখিতভাবে
এই বিলে সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে আসাদুজ্জামান
বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নে যা যা করা প্রয়োজন, বিএনপি সরকার তার সবটুকুই করবে।” তবে
গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “গণভোটের একটা অংশে প্রতারণা আছে। বিএনপি কোনো ধরনের
প্রতারণার অংশের সাথে নেই।”
শৈলকূপায় আয়োজিত এই সভায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক
নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন