প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান নির্বাচিত সরকার শ্রমবান্ধব নীতি ও কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে
মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, "শ্রমজীবী মানুষই যেকোনো দেশের উন্নয়ন
ও সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি। শ্রমিকের নিরলস পরিশ্রমেই গড়ে ওঠে শিল্প, কৃষি ও শক্তিশালী
অর্থনৈতিক ভিত্তি। তাই তাদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য অধিকার এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ
নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান দায়িত্ব।"
তিনি আরও জানান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির
মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন
করে যাচ্ছে।
সংসদের প্রথম অধিবেশনের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, অধিবেশনে
জনগণের সমস্যা নিয়ে গভীর আলোচনা এবং বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকারের প্রশ্নে সবার সম্মিলিত
অবস্থানই জনগণের ক্ষমতায়নের প্রতীক। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, বর্তমান সরকার নারীর
ক্ষমতায়ন ও যুবকদের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি শ্রমিকদের ক্ষমতায়নেও সর্বোচ্চ প্রাতিষ্ঠানিক
ও নীতিগত প্রাধান্য দেবে।
বক্তব্যে মাহদী আমিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের
কথা স্মরণ করে বলেন, "শহীদ জিয়া বিশ্বাস করতেন শ্রমিকের দুটি হাতই উন্নয়নের মূল
চাবিকাঠি। আজ বাংলাদেশের অর্থনীতি যে পোশাক শিল্পের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তা মূলত বিএনপি
সরকারের দূরদর্শী নীতিমালারই ফল।"
তিনি আরও যোগ করেন, শহীদ জিয়া ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম
খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শ্রমিকদের
সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
আলোচনা সভায় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং শ্রমিক সংগঠনের
নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান নির্বাচিত সরকার শ্রমবান্ধব নীতি ও কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে
মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, "শ্রমজীবী মানুষই যেকোনো দেশের উন্নয়ন
ও সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি। শ্রমিকের নিরলস পরিশ্রমেই গড়ে ওঠে শিল্প, কৃষি ও শক্তিশালী
অর্থনৈতিক ভিত্তি। তাই তাদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য অধিকার এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ
নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান দায়িত্ব।"
তিনি আরও জানান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির
মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন
করে যাচ্ছে।
সংসদের প্রথম অধিবেশনের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, অধিবেশনে
জনগণের সমস্যা নিয়ে গভীর আলোচনা এবং বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকারের প্রশ্নে সবার সম্মিলিত
অবস্থানই জনগণের ক্ষমতায়নের প্রতীক। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, বর্তমান সরকার নারীর
ক্ষমতায়ন ও যুবকদের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি শ্রমিকদের ক্ষমতায়নেও সর্বোচ্চ প্রাতিষ্ঠানিক
ও নীতিগত প্রাধান্য দেবে।
বক্তব্যে মাহদী আমিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের
কথা স্মরণ করে বলেন, "শহীদ জিয়া বিশ্বাস করতেন শ্রমিকের দুটি হাতই উন্নয়নের মূল
চাবিকাঠি। আজ বাংলাদেশের অর্থনীতি যে পোশাক শিল্পের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তা মূলত বিএনপি
সরকারের দূরদর্শী নীতিমালারই ফল।"
তিনি আরও যোগ করেন, শহীদ জিয়া ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম
খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শ্রমিকদের
সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
আলোচনা সভায় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং শ্রমিক সংগঠনের
নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন