গতকাল শনিবার এক সংবাদ
সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির সম্মেলনের বিস্তারিত
তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় এবার সম্মেলনের ব্যাপ্তি একদিন বাড়িয়ে
চার দিন করা হয়েছে।
এবারের সম্মেলনে মোট
৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে,
যার মধ্যে ৩০টিই হবে কার্য অধিবেশন। সম্মেলনে
অংশ নিচ্ছে সরকারের ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা
সম্মেলনে উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
সূত্রে জানা গেছে, মাঠ প্রশাসন থেকে মোট ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব জমা পড়লেও
যাচাই-বাছাই শেষে ৪৯৮টি প্রস্তাব কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে
সবচেয়ে বেশি ৪৪টি প্রস্তাব এসেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সংক্রান্ত।
সম্মেলনে মূলত ১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, স্থানীয় সরকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ই-গভর্নেন্স, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
সম্মেলন চলাকালে জেলা
প্রশাসকরা রাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সূচি অনুযায়ী:
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে
সাক্ষাৎ: ৩ মে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট।
স্পিকারের সঙ্গে
সাক্ষাৎ: ৪ মে সন্ধ্যা ৭টা।
প্রধান বিচারপতির সঙ্গে
সাক্ষাৎ: ৫ মে বিকেল ৪টা।
অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন
কবির আশা প্রকাশ করেন যে,
এই সম্মেলনের মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনের
প্রশাসনিক ও আর্থিক চ্যালেঞ্জগুলো সমাধানের পথ বের হবে, যা জনসেবা এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও
ত্বরান্বিত করবে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
গতকাল শনিবার এক সংবাদ
সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির সম্মেলনের বিস্তারিত
তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় এবার সম্মেলনের ব্যাপ্তি একদিন বাড়িয়ে
চার দিন করা হয়েছে।
এবারের সম্মেলনে মোট
৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে,
যার মধ্যে ৩০টিই হবে কার্য অধিবেশন। সম্মেলনে
অংশ নিচ্ছে সরকারের ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা
সম্মেলনে উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
সূত্রে জানা গেছে, মাঠ প্রশাসন থেকে মোট ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব জমা পড়লেও
যাচাই-বাছাই শেষে ৪৯৮টি প্রস্তাব কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে
সবচেয়ে বেশি ৪৪টি প্রস্তাব এসেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সংক্রান্ত।
সম্মেলনে মূলত ১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, স্থানীয় সরকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ই-গভর্নেন্স, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
সম্মেলন চলাকালে জেলা
প্রশাসকরা রাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সূচি অনুযায়ী:
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে
সাক্ষাৎ: ৩ মে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট।
স্পিকারের সঙ্গে
সাক্ষাৎ: ৪ মে সন্ধ্যা ৭টা।
প্রধান বিচারপতির সঙ্গে
সাক্ষাৎ: ৫ মে বিকেল ৪টা।
অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন
কবির আশা প্রকাশ করেন যে,
এই সম্মেলনের মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনের
প্রশাসনিক ও আর্থিক চ্যালেঞ্জগুলো সমাধানের পথ বের হবে, যা জনসেবা এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও
ত্বরান্বিত করবে।

আপনার মতামত লিখুন