সংবাদ

ঘোড়াশালে রেলওয়ের জায়গায় উচ্ছেদ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ২০০ স্থাপনা


প্রতিনিধি, পলাশ (নরসিংদী)
প্রতিনিধি, পলাশ (নরসিংদী)
প্রকাশ: ৯ মে ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম

ঘোড়াশালে রেলওয়ের জায়গায় উচ্ছেদ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ২০০ স্থাপনা
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলস্টেশন এলাকায় রেলওয়ের জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। ছবি : সংবাদ

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলস্টেশনসংলগ্ন এলাকায় রেলওয়ের জায়গায় গড়ে ওঠা প্রায় ২০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টা থেকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। অভিযানে বিপুলসংখ্যক দোকানপাট ও ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় একটি কন্টেইনার ডিপো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। ২০১৭ সালে এই প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা জানান, এর আগে গত ২২ এপ্রিল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ করতে এলে তারা মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য সময় চান। তখন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তাদের সাত দিনের সময় দিয়েছিল। এ ছাড়া সীমানা নিয়ে বিতর্কের জেরে গত সপ্তাহে নতুন করে মাপজোকের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

আজ সকালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলে অনেককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। সাদ্দাম বাজারের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কোনো ধরনের পুনর্বাসন বা বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই তাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। তারা স্থায়ী একটি জায়গার দাবি জানিয়েছিলেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সমাধান মেলেনি।

এলাকাবাসীর দাবি, উচ্ছেদ হওয়া জায়গায় একটি ঈদগাহ, খেলার মাঠ ও হাসপাতাল রয়েছে, যা স্থানীয়দের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হতো। সামনে ঈদ, এর আগে ঘরবাড়ি ও উপার্জনের পথ হারিয়ে অনেক পরিবার এখন নিঃস্ব। বাসিন্দাদের দাবি, জনবসতিপূর্ণ এই এলাকা থেকে কন্টেইনার ডিপোটি অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়া হলে তাদের জীবন রক্ষা পেত।

উচ্ছেদ অভিযানে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট ও বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


ঘোড়াশালে রেলওয়ের জায়গায় উচ্ছেদ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ২০০ স্থাপনা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

featured Image

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলস্টেশনসংলগ্ন এলাকায় রেলওয়ের জায়গায় গড়ে ওঠা প্রায় ২০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টা থেকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। অভিযানে বিপুলসংখ্যক দোকানপাট ও ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় একটি কন্টেইনার ডিপো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। ২০১৭ সালে এই প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা জানান, এর আগে গত ২২ এপ্রিল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ করতে এলে তারা মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য সময় চান। তখন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তাদের সাত দিনের সময় দিয়েছিল। এ ছাড়া সীমানা নিয়ে বিতর্কের জেরে গত সপ্তাহে নতুন করে মাপজোকের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

আজ সকালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলে অনেককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। সাদ্দাম বাজারের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কোনো ধরনের পুনর্বাসন বা বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই তাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। তারা স্থায়ী একটি জায়গার দাবি জানিয়েছিলেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সমাধান মেলেনি।

এলাকাবাসীর দাবি, উচ্ছেদ হওয়া জায়গায় একটি ঈদগাহ, খেলার মাঠ ও হাসপাতাল রয়েছে, যা স্থানীয়দের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হতো। সামনে ঈদ, এর আগে ঘরবাড়ি ও উপার্জনের পথ হারিয়ে অনেক পরিবার এখন নিঃস্ব। বাসিন্দাদের দাবি, জনবসতিপূর্ণ এই এলাকা থেকে কন্টেইনার ডিপোটি অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়া হলে তাদের জীবন রক্ষা পেত।

উচ্ছেদ অভিযানে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট ও বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত