চলচ্চিত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন এনেছে। অস্কার পুরস্কারের নিয়মে আনা এই সংশোধনকে মানব সৃজনশীলতার পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। নতুন নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, অভিনয় বিভাগে শুধুমাত্র মানুষের বাস্তব পারফরম্যান্সই বিবেচিত হবে।
এআই বা ডিজিটাল
প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি কোনো পারফরম্যান্সকে “সিন্থেটিক পারফরম্যান্স” হিসেবে চিহ্নিত
করে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ভার্চুয়াল বা সম্পূর্ণ কৃত্রিমভাবে তৈরি চরিত্রের
অভিনয় আর অস্কারের দৌড়ে থাকবে না। চিত্রনাট্য বিভাগেও একই ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
সেখানে মানব-লিখিত কনটেন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যদিও সহায়ক টুল হিসেবে এআই ব্যবহার
করা যাবে, তবে মূল সৃজনশীল নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে লেখকের হাতেই—এমনটাই জানিয়েছে একাডেমি।
তবে চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রযুক্তির ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি।
একাডেমি বলছে, সহায়ক
মাধ্যম হিসেবে এআই ব্যবহার গ্রহণযোগ্য, কিন্তু তা যেন সৃজনশীলতার জায়গা দখল না করে।
এছাড়া নতুন নিয়মে অভিনয় বিভাগে একজন শিল্পীর একই ক্যাটাগরিতে একাধিক মনোনয়ন পাওয়ার
সুযোগ রাখা হয়েছে, যা আগে সীমিত ছিল। আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম বিভাগেও কিছু শিথিলতা
আনা হয়েছে, ফলে একাধিক আন্তর্জাতিক উৎসবে পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র এখন মনোনয়নের ক্ষেত্রে
আরও সহজে বিবেচিত হতে পারবে। টেকনিক্যাল বিভাগ এবং ভোটিং প্রক্রিয়াতেও আনা হয়েছে কাঠামোগত
পরিবর্তন, যদিও এসব বিষয়ে বিস্তারিত এখনো পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি।
সব মিলিয়ে, নতুন এই নীতিমালা স্পষ্ট করে দিচ্ছে—প্রযুক্তির অগ্রগতিকে স্বীকার করেও মানবিক সৃজনশীলতাকেই অস্কারের মূল ভিত্তি হিসেবে ধরে রাখতে চায় একাডেমি।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
চলচ্চিত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন এনেছে। অস্কার পুরস্কারের নিয়মে আনা এই সংশোধনকে মানব সৃজনশীলতার পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। নতুন নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, অভিনয় বিভাগে শুধুমাত্র মানুষের বাস্তব পারফরম্যান্সই বিবেচিত হবে।
এআই বা ডিজিটাল
প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি কোনো পারফরম্যান্সকে “সিন্থেটিক পারফরম্যান্স” হিসেবে চিহ্নিত
করে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ভার্চুয়াল বা সম্পূর্ণ কৃত্রিমভাবে তৈরি চরিত্রের
অভিনয় আর অস্কারের দৌড়ে থাকবে না। চিত্রনাট্য বিভাগেও একই ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
সেখানে মানব-লিখিত কনটেন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যদিও সহায়ক টুল হিসেবে এআই ব্যবহার
করা যাবে, তবে মূল সৃজনশীল নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে লেখকের হাতেই—এমনটাই জানিয়েছে একাডেমি।
তবে চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রযুক্তির ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি।
একাডেমি বলছে, সহায়ক
মাধ্যম হিসেবে এআই ব্যবহার গ্রহণযোগ্য, কিন্তু তা যেন সৃজনশীলতার জায়গা দখল না করে।
এছাড়া নতুন নিয়মে অভিনয় বিভাগে একজন শিল্পীর একই ক্যাটাগরিতে একাধিক মনোনয়ন পাওয়ার
সুযোগ রাখা হয়েছে, যা আগে সীমিত ছিল। আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম বিভাগেও কিছু শিথিলতা
আনা হয়েছে, ফলে একাধিক আন্তর্জাতিক উৎসবে পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র এখন মনোনয়নের ক্ষেত্রে
আরও সহজে বিবেচিত হতে পারবে। টেকনিক্যাল বিভাগ এবং ভোটিং প্রক্রিয়াতেও আনা হয়েছে কাঠামোগত
পরিবর্তন, যদিও এসব বিষয়ে বিস্তারিত এখনো পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি।
সব মিলিয়ে, নতুন এই নীতিমালা স্পষ্ট করে দিচ্ছে—প্রযুক্তির অগ্রগতিকে স্বীকার করেও মানবিক সৃজনশীলতাকেই অস্কারের মূল ভিত্তি হিসেবে ধরে রাখতে চায় একাডেমি।

আপনার মতামত লিখুন