সন্তানদের জন্য নিজের স্বপ্ন, সময় ও শক্তি বিলিয়ে দিয়েছেন বাবা-মা। অথচ প্রতিদিন ‘ব্যস্ততার’ অজুহাতে মায়ের জন্য এতটুকু সময় বরাদ্দ থাকে না।দিল্লির এক সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও (সিইও) তেমনটি ভাবছিলেন। কেন বার বার প্রতিশ্রুতি দিয়েও মাকে দেখতে যাওয়া হয় না?
তাই আজ এখনই মায়েদের সম্মান জানানো হবে। সঙ্গে সঙ্গে কর্মীদের ডেকে চমকে দিলেন। বলে দিলেন, মায়েদের সময় দেওয়ার জন্য তিন দিনের ছুটি। আর সঙ্গে ১০ হাজার টাকার ভ্রমণ ভাতা।
ভারতের রাজধানী দিল্লির উদ্যোক্তা রাজত গ্রোভার কর্মীদের জন্য মা দিবসে বিশেষ এই উদ্যোগ নিয়েছেন। যা ভাইরাল এখন সোশ্যাল মাধ্যমে।
রজত জানিয়েছেন, কর্মীরা মায়েদের নিয়ে বেড়াতে যেতে পারবেন। তিন দিনের ছুটি হবে বেতনসহ। যেটা তাদের নিয়মিত ছুটির তালিকায় কাটা যাবে না। বরং কোম্পানি থেকে দেওয়া বাড়তি ছুটি। আর্থিক সহায়তার অংশ হিসেবে কর্মীরা এই তিন দিন পাবেন ১০ হাজার টাকা ভ্রমণভাতা।
রাজত গ্রোভার নিজের ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন পোস্টে লিখেছেন, ‘আমরা সবসময় বলে থাকি আরেকদিন হবে। অথচ তাদের সারা জীবন কাটিয়েছেন আমাদের জন্য। সময় দিয়েছেন কত যত্ন করে। আর বলে দিই আজ হবে, কাল হবে। কত অজুহাত। আমাদের বাবা-মা দিয়েছেন তাদের সময়, স্বপ্ন, শক্তি, বছরগুলো। অথচ কখনো ফিরে চাননি কিছুই।’
ভিডিও বার্তায় তিনি অভিভাবকদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেছেন, ‘আমি কোম্পানি গড়ার আগে কেউ একজন সকাল ৫টায় ঘুম থেকে উঠতেন। খাবার তৈরি করতেন। সংসার গোছাতেন।শুধু এ জন্য যে আমি যেন আমার স্বপ্ন বুনতে প্রতিটি মিনিট ব্যয় করি। আমরা জানি না, তারা আমাদের জন্য কতটা সময় আছে।যদি কোথাও যেতে ইচ্ছে করে থাকেন তারা, যদি একটা মুহূর্তও চেয়ে থাকেন, তাহলে তাদের সেই ইচ্ছেপূরণ এখনই।’
সিইও এই উদ্যোগ ঘোষণা করে করপোরেট দুনিয়ায় প্রশংসিত হয়েছেন। তার এই মানবিক সিদ্ধান্তে কর্মীদের পাশাপাশি নেটিজেনরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। স্মরণীয়, এর আগেও দীপাবলির সময় গ্রোভার তার টিমকে ৯ দিনের ছুটি ঘোষণা করে ভাইরাল হয়েছিলেন।
এক টিমে কাউকে বার্তা দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস, মূল্যবোধ, শক্তি- এসবের ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছিলেন মায়েরাই।আমরা কিছু গড়ার অনেক আগেই তারা আমাদের গড়ে তুলেছিলেন।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও পারিবারিক বন্ধনে এই ধরণের উদ্যোগ ব্যবসায় সুদূরপ্রসারী প্রভাব রাখতে পারে। মা দিবসের প্রতীকী অর্থকে বাস্তবায়িত করে এই উদ্যোগ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ভারতের করপোরেট অঙ্গনে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
সন্তানদের জন্য নিজের স্বপ্ন, সময় ও শক্তি বিলিয়ে দিয়েছেন বাবা-মা। অথচ প্রতিদিন ‘ব্যস্ততার’ অজুহাতে মায়ের জন্য এতটুকু সময় বরাদ্দ থাকে না।দিল্লির এক সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও (সিইও) তেমনটি ভাবছিলেন। কেন বার বার প্রতিশ্রুতি দিয়েও মাকে দেখতে যাওয়া হয় না?
তাই আজ এখনই মায়েদের সম্মান জানানো হবে। সঙ্গে সঙ্গে কর্মীদের ডেকে চমকে দিলেন। বলে দিলেন, মায়েদের সময় দেওয়ার জন্য তিন দিনের ছুটি। আর সঙ্গে ১০ হাজার টাকার ভ্রমণ ভাতা।
ভারতের রাজধানী দিল্লির উদ্যোক্তা রাজত গ্রোভার কর্মীদের জন্য মা দিবসে বিশেষ এই উদ্যোগ নিয়েছেন। যা ভাইরাল এখন সোশ্যাল মাধ্যমে।
রজত জানিয়েছেন, কর্মীরা মায়েদের নিয়ে বেড়াতে যেতে পারবেন। তিন দিনের ছুটি হবে বেতনসহ। যেটা তাদের নিয়মিত ছুটির তালিকায় কাটা যাবে না। বরং কোম্পানি থেকে দেওয়া বাড়তি ছুটি। আর্থিক সহায়তার অংশ হিসেবে কর্মীরা এই তিন দিন পাবেন ১০ হাজার টাকা ভ্রমণভাতা।
রাজত গ্রোভার নিজের ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন পোস্টে লিখেছেন, ‘আমরা সবসময় বলে থাকি আরেকদিন হবে। অথচ তাদের সারা জীবন কাটিয়েছেন আমাদের জন্য। সময় দিয়েছেন কত যত্ন করে। আর বলে দিই আজ হবে, কাল হবে। কত অজুহাত। আমাদের বাবা-মা দিয়েছেন তাদের সময়, স্বপ্ন, শক্তি, বছরগুলো। অথচ কখনো ফিরে চাননি কিছুই।’
ভিডিও বার্তায় তিনি অভিভাবকদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেছেন, ‘আমি কোম্পানি গড়ার আগে কেউ একজন সকাল ৫টায় ঘুম থেকে উঠতেন। খাবার তৈরি করতেন। সংসার গোছাতেন।শুধু এ জন্য যে আমি যেন আমার স্বপ্ন বুনতে প্রতিটি মিনিট ব্যয় করি। আমরা জানি না, তারা আমাদের জন্য কতটা সময় আছে।যদি কোথাও যেতে ইচ্ছে করে থাকেন তারা, যদি একটা মুহূর্তও চেয়ে থাকেন, তাহলে তাদের সেই ইচ্ছেপূরণ এখনই।’
সিইও এই উদ্যোগ ঘোষণা করে করপোরেট দুনিয়ায় প্রশংসিত হয়েছেন। তার এই মানবিক সিদ্ধান্তে কর্মীদের পাশাপাশি নেটিজেনরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। স্মরণীয়, এর আগেও দীপাবলির সময় গ্রোভার তার টিমকে ৯ দিনের ছুটি ঘোষণা করে ভাইরাল হয়েছিলেন।
এক টিমে কাউকে বার্তা দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস, মূল্যবোধ, শক্তি- এসবের ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছিলেন মায়েরাই।আমরা কিছু গড়ার অনেক আগেই তারা আমাদের গড়ে তুলেছিলেন।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও পারিবারিক বন্ধনে এই ধরণের উদ্যোগ ব্যবসায় সুদূরপ্রসারী প্রভাব রাখতে পারে। মা দিবসের প্রতীকী অর্থকে বাস্তবায়িত করে এই উদ্যোগ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ভারতের করপোরেট অঙ্গনে।

আপনার মতামত লিখুন