বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) একটি সড়ক উন্নয়নকাজ স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তার কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ তুলে এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেন। পরে এলজিইডি কর্তৃপক্ষও সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, খামারকান্দি ইউনিয়নের ঘোড়দৌড় হাট এলাকা থেকে ৩ হাজার ৮ মিটার থেকে ৬ হাজার ৩২০ মিটার পর্যন্ত সড়ক সংস্কার কাজের দায়িত্ব পায় রাজশাহীর ‘বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রায় ২ কোটি ৯৮ লাখ ৩১ হাজার টাকা প্রাক্কলিত মূল্যের এই প্রকল্পের চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। গত বছরের ১৬ নভেম্বর কার্যাদেশ দেওয়া এই প্রকল্পের কাজ ২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। বর্তমানে উপজেলার পার ভবানীপুর থেকে খোকসা গাড়ি পাকার মাথা পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের কাজ চলছে। তবে শুরু থেকেই এতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তার লেভেলিংয়ের কাজে নিয়ম অনুযায়ী বালু ব্যবহারের কথা থাকলেও পাশের একটি পুকুর থেকে কাটা মাটি ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে গত সোমবার এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেন। তাদের অভিযোগ, তদারকির দায়িত্বে থাকা এলজিইডির প্রকৌশলীরা নিয়মিত পরিদর্শনে আসেন না। দীর্ঘদিন নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হলেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, “পুকুরের মাটি দিয়ে রাস্তা করা হলে বর্ষায় তা ধসে যাবে। ঠিকাদারকে বালু ব্যবহারের অনুরোধ করা হলেও তারা তা শোনেননি। প্রায় দুই মাস রাস্তা খুঁড়ে রাখায় স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমরা দ্রুত ও মানসম্মত কাজ চাই।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজটি কিনে নিয়ে পরিচালনা করছেন বগুড়ার শিবগঞ্জ এলাকার শফিক নামের এক ব্যক্তি। তবে এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।
শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আব্দুল মজিদ বলেন, “রাস্তায় নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের খবর পাওয়ার পরপরই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ঠিকাদারকে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার করে পুনরায় কাজ শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) একটি সড়ক উন্নয়নকাজ স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তার কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ তুলে এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেন। পরে এলজিইডি কর্তৃপক্ষও সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, খামারকান্দি ইউনিয়নের ঘোড়দৌড় হাট এলাকা থেকে ৩ হাজার ৮ মিটার থেকে ৬ হাজার ৩২০ মিটার পর্যন্ত সড়ক সংস্কার কাজের দায়িত্ব পায় রাজশাহীর ‘বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রায় ২ কোটি ৯৮ লাখ ৩১ হাজার টাকা প্রাক্কলিত মূল্যের এই প্রকল্পের চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। গত বছরের ১৬ নভেম্বর কার্যাদেশ দেওয়া এই প্রকল্পের কাজ ২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। বর্তমানে উপজেলার পার ভবানীপুর থেকে খোকসা গাড়ি পাকার মাথা পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের কাজ চলছে। তবে শুরু থেকেই এতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তার লেভেলিংয়ের কাজে নিয়ম অনুযায়ী বালু ব্যবহারের কথা থাকলেও পাশের একটি পুকুর থেকে কাটা মাটি ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে গত সোমবার এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেন। তাদের অভিযোগ, তদারকির দায়িত্বে থাকা এলজিইডির প্রকৌশলীরা নিয়মিত পরিদর্শনে আসেন না। দীর্ঘদিন নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হলেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, “পুকুরের মাটি দিয়ে রাস্তা করা হলে বর্ষায় তা ধসে যাবে। ঠিকাদারকে বালু ব্যবহারের অনুরোধ করা হলেও তারা তা শোনেননি। প্রায় দুই মাস রাস্তা খুঁড়ে রাখায় স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমরা দ্রুত ও মানসম্মত কাজ চাই।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজটি কিনে নিয়ে পরিচালনা করছেন বগুড়ার শিবগঞ্জ এলাকার শফিক নামের এক ব্যক্তি। তবে এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।
শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আব্দুল মজিদ বলেন, “রাস্তায় নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের খবর পাওয়ার পরপরই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ঠিকাদারকে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার করে পুনরায় কাজ শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন