সংবাদ

নন্দীগ্রাম ছাড়লেন শুভেন্দু


দীপক মুখার্জী, কলকাতা থেকে
দীপক মুখার্জী, কলকাতা থেকে
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম

নন্দীগ্রাম ছাড়লেন শুভেন্দু
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে ভবানীপুরকে বেছে নিলেন

জল্পনাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে ভবানীপুরকে বেছে নিলেন। ফলে নন্দীগ্রামে আসন্ন উপনির্বাচন ঘিরে ইতিমধ্যেই চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।

বুধবার (১৩ মে) বিধানসভায় নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভবানীপুর কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় তার শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর- দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন শুভেন্দু। তবে সংবিধান অনুযায়ী, একাধিক আসন থেকে নির্বাচিত হলে একটি আসন ছাড়তেই হয়। সেই নিয়ম মেনেই নন্দীগ্রাম আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।

এর ফলে নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন এখন সময়ের অপেক্ষা। আর এই উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়ে গিয়েছে জোর জল্পনা। বিজেপির প্রার্থী কে হবেন- তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও, জেলা সাধারণ সম্পাদক ও শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মেঘনাদ পালের নাম উঠে আসছে আলোচনায়।

রাজনৈতিক দিক থেকে নন্দীগ্রাম আসনের গুরুত্ব আলাদা। ২০১৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দিয়ে ২০২১ সালে এই কেন্দ্র থেকেই পরাস্ত করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই জয় তাকে ‘জায়ান্ট কিলার’ হিসেবে পরিচিতি দেয়।

২০২৬ সালেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নন্দীগ্রামে জয় পান শুভেন্দু। পাশাপাশি ভবানীপুরেও মুখোমুখি লড়াইয়ে আবারও হারান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এখন প্রশ্ন একটাই- নন্দীগ্রামের এই হাই-প্রোফাইল উপনির্বাচনে কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি? আর শাসকদল কী কৌশল নেয়? রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সেদিকেই। নন্দীগ্রাম আবারও হতে চলেছে রাজ্যের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।

উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হলেই স্পষ্ট হবে- এই লড়াই কেবল একটি আসনের জন্য, নাকি আরও বড় রাজনৈতিক বার্তার মঞ্চ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


নন্দীগ্রাম ছাড়লেন শুভেন্দু

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

জল্পনাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে ভবানীপুরকে বেছে নিলেন। ফলে নন্দীগ্রামে আসন্ন উপনির্বাচন ঘিরে ইতিমধ্যেই চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।

বুধবার (১৩ মে) বিধানসভায় নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভবানীপুর কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় তার শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর- দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন শুভেন্দু। তবে সংবিধান অনুযায়ী, একাধিক আসন থেকে নির্বাচিত হলে একটি আসন ছাড়তেই হয়। সেই নিয়ম মেনেই নন্দীগ্রাম আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।

এর ফলে নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন এখন সময়ের অপেক্ষা। আর এই উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়ে গিয়েছে জোর জল্পনা। বিজেপির প্রার্থী কে হবেন- তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও, জেলা সাধারণ সম্পাদক ও শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মেঘনাদ পালের নাম উঠে আসছে আলোচনায়।

রাজনৈতিক দিক থেকে নন্দীগ্রাম আসনের গুরুত্ব আলাদা। ২০১৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দিয়ে ২০২১ সালে এই কেন্দ্র থেকেই পরাস্ত করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই জয় তাকে ‘জায়ান্ট কিলার’ হিসেবে পরিচিতি দেয়।

২০২৬ সালেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নন্দীগ্রামে জয় পান শুভেন্দু। পাশাপাশি ভবানীপুরেও মুখোমুখি লড়াইয়ে আবারও হারান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এখন প্রশ্ন একটাই- নন্দীগ্রামের এই হাই-প্রোফাইল উপনির্বাচনে কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি? আর শাসকদল কী কৌশল নেয়? রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সেদিকেই। নন্দীগ্রাম আবারও হতে চলেছে রাজ্যের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।

উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হলেই স্পষ্ট হবে- এই লড়াই কেবল একটি আসনের জন্য, নাকি আরও বড় রাজনৈতিক বার্তার মঞ্চ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত