মোহনবাগান ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি, বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক এবং ‘অভিভাবক’ হিসেবে পরিচিত টুটু বসু আর নেই। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ কেবল মোহন বাগান সুপার জায়ান্ট ই নয়, গোটা ভারতীয় ফুটবল মহল।
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মোহনবাগানের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন টুটু বসু। ক্লাবের সাফল্য-ব্যর্থতা, উত্থান-পতন—সবকিছুরই নীরব সাক্ষী ছিলেন তিনি। প্রশাসক হিসেবে তাঁর বিচক্ষণতা, ধৈর্য এবং ক্লাবের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা তাঁকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছিল। শুধু একজন কর্তা নন, বরং তিনি ছিলেন মোহনবাগান পরিবারের অভিভাবকস্বরূপ।
বিশেষ করে কলকাতার ফুটবল সংস্কৃতিতে তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য। সবুজ-মেরুনের ঐতিহ্য রক্ষা থেকে শুরু করে নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের উৎসাহ দেওয়া—সব ক্ষেত্রেই তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। কঠিন সময়ে ক্লাবকে স্থিতিশীল রাখার পিছনেও তাঁর বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করেন ক্রীড়া মহলের অনেকেই।
টুটু বসুর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন বিভিন্ন প্রাক্তন ও বর্তমান ফুটবলার, ক্রীড়া সংগঠক এবং সমর্থকরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে উঠছে স্মৃতিচারণা—কেউ তাঁকে বলছেন ‘গার্ডিয়ান’, কেউ আবার ‘মোহনবাগানের আত্মা’।
ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে মোহনবাগানের নাম উচ্চারিত হলেই যাঁদের কথা মনে পড়ে, টুটু বসু তাঁদের অন্যতম। তাঁর অবদান, তাঁর নিষ্ঠা এবং ক্লাবের প্রতি তাঁর ভালোবাসা চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
শেষ পর্যন্ত বলা যায়, টুটু বসুর প্রয়াণ শুধু একজন ব্যক্তির মৃত্যু নয়—এটি এক যুগের অবসান। তাঁর রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার ভবিষ্যতেও পথ দেখাবে ভারতীয় ফুটবলকে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
মোহনবাগান ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি, বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক এবং ‘অভিভাবক’ হিসেবে পরিচিত টুটু বসু আর নেই। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ কেবল মোহন বাগান সুপার জায়ান্ট ই নয়, গোটা ভারতীয় ফুটবল মহল।
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মোহনবাগানের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন টুটু বসু। ক্লাবের সাফল্য-ব্যর্থতা, উত্থান-পতন—সবকিছুরই নীরব সাক্ষী ছিলেন তিনি। প্রশাসক হিসেবে তাঁর বিচক্ষণতা, ধৈর্য এবং ক্লাবের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা তাঁকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছিল। শুধু একজন কর্তা নন, বরং তিনি ছিলেন মোহনবাগান পরিবারের অভিভাবকস্বরূপ।
বিশেষ করে কলকাতার ফুটবল সংস্কৃতিতে তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য। সবুজ-মেরুনের ঐতিহ্য রক্ষা থেকে শুরু করে নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের উৎসাহ দেওয়া—সব ক্ষেত্রেই তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। কঠিন সময়ে ক্লাবকে স্থিতিশীল রাখার পিছনেও তাঁর বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করেন ক্রীড়া মহলের অনেকেই।
টুটু বসুর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন বিভিন্ন প্রাক্তন ও বর্তমান ফুটবলার, ক্রীড়া সংগঠক এবং সমর্থকরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে উঠছে স্মৃতিচারণা—কেউ তাঁকে বলছেন ‘গার্ডিয়ান’, কেউ আবার ‘মোহনবাগানের আত্মা’।
ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে মোহনবাগানের নাম উচ্চারিত হলেই যাঁদের কথা মনে পড়ে, টুটু বসু তাঁদের অন্যতম। তাঁর অবদান, তাঁর নিষ্ঠা এবং ক্লাবের প্রতি তাঁর ভালোবাসা চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
শেষ পর্যন্ত বলা যায়, টুটু বসুর প্রয়াণ শুধু একজন ব্যক্তির মৃত্যু নয়—এটি এক যুগের অবসান। তাঁর রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার ভবিষ্যতেও পথ দেখাবে ভারতীয় ফুটবলকে।

আপনার মতামত লিখুন