সংবাদ

দৃশ্যমান হচ্ছে আড়ালিয়া-হরিপুর সেতু


প্রতিনিধি, গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ)
প্রতিনিধি, গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ)
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম

দৃশ্যমান হচ্ছে আড়ালিয়া-হরিপুর সেতু
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া ও কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার সংযোগস্থলে নির্মাণাধীন আড়ালিয়া-হরিপুর সেতু। ছবি : সংবাদ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া ও কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার সংযোগস্থলে নির্মাণাধীন আড়ালিয়া-হরিপুর সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। মেঘনা নদীর ওপর নির্মাণাধীন এই সেতুর ৬০টি গার্ডারের মধ্যে ইতোমধ্যে ২৪টি বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। ৬৭৫ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি চালু হলে দুই জেলার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার। ৯ দশমিক ৮ মিটার প্রস্থের এই সেতুতে মোট পিলারের সংখ্যা ১৭। সেতুর পূর্ব প্রান্তে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার হরিপুর এবং পশ্চিম প্রান্তে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার আড়ালিয়া গ্রাম।

প্রকল্পের প্রকৌশলী আরিফ হোসেন জানান, ২০২২ সালে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। শুরুতে জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে কাজ কিছুটা ধীরগতিতে চললেও বর্তমানে পুরোদমে কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে, ২০২৭ সালের মার্চ বা এপ্রিলের মধ্যে সেতুর কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সেতুটি চালু হলে গজারিয়া ও মেঘনা উপজেলার মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হবে। যাতায়াতের সময় কমে আসার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং শিক্ষা ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফেরাতে এই সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন দুই জেলার মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


দৃশ্যমান হচ্ছে আড়ালিয়া-হরিপুর সেতু

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া ও কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার সংযোগস্থলে নির্মাণাধীন আড়ালিয়া-হরিপুর সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। মেঘনা নদীর ওপর নির্মাণাধীন এই সেতুর ৬০টি গার্ডারের মধ্যে ইতোমধ্যে ২৪টি বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। ৬৭৫ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি চালু হলে দুই জেলার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার। ৯ দশমিক ৮ মিটার প্রস্থের এই সেতুতে মোট পিলারের সংখ্যা ১৭। সেতুর পূর্ব প্রান্তে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার হরিপুর এবং পশ্চিম প্রান্তে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার আড়ালিয়া গ্রাম।

প্রকল্পের প্রকৌশলী আরিফ হোসেন জানান, ২০২২ সালে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। শুরুতে জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে কাজ কিছুটা ধীরগতিতে চললেও বর্তমানে পুরোদমে কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে, ২০২৭ সালের মার্চ বা এপ্রিলের মধ্যে সেতুর কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সেতুটি চালু হলে গজারিয়া ও মেঘনা উপজেলার মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হবে। যাতায়াতের সময় কমে আসার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং শিক্ষা ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফেরাতে এই সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন দুই জেলার মানুষ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত