গত প্রায় এক দশকের মধ্যে প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে পৌঁছেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৩) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ট্রাম্পকে বহনকারী বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বেইজিংয়ে অবতরণ করলে তাঁকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও উষ্ণ আতিথেয়তায় বরণ করে নেওয়া হয়।
বিমানবন্দরে ট্রাম্পকে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেংসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাকে দেওয়া হয় রাজকীয় সামরিক গার্ড অব অনার। এ সময় চীনা শিশু-কিশোররা দুই দেশের পতাকা নাড়িয়ে এবং স্লোগান দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অভ্যর্থনা জানায়। হাস্যোজ্জ্বল ট্রাম্পকে এ সময় বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখা যায়।
ট্রাম্পের এই সফরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো তার সফরসঙ্গীরা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও বাণিজ্য খাতের একঝাঁক প্রভাবশালী প্রধান নির্বাহী (সিইও) তার সঙ্গে বেইজিংয়ে এসেছেন। এই তালিকায় রয়েছেন অ্যাপলের টিম কুক, টেসলা ও স্পেসএক্সের ইলন মাস্ক এবং ব্ল্যাকরকের ল্যারি ফিঙ্ক।
এ ছাড়া মেটা, ভিসা, বোয়িং ও ব্ল্যাকস্টোনের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও এই প্রতিনিধিদলের অন্তর্ভুক্ত। হোয়াইট হাউসের মতে, বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নিরসনে করপোরেট প্রধানদের এই উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামীকার বৃহস্পতিবার সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সফরের আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “আমি প্রেসিডেন্ট শি-কে অনুরোধ করব যেন তিনি চীনের বাজার ‘উন্মুক্ত’ করে দেন, যাতে এই অসাধারণ মেধাবী মানুষগুলো (সফরসঙ্গী ব্যবসায়ীরা) তাদের জাদু দেখাতে পারেন।”
বৈঠকে বাণিজ্য ছাড়াও ইরান পরিস্থিতি এবং তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। তেহরানকে চুক্তিতে রাজি করাতে বেইজিংয়ের সহায়তা চাইতে পারেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, তাইওয়ানের জন্য বরাদ্দকৃত ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজ নিয়ে চীনের কড়া বিরোধিতার মধ্যেই এই বৈঠক হতে যাচ্ছে।
দুই দিনের সফরে ট্রাম্পের জন্য ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ সংবর্ধনা, ৬০০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ‘টেম্পল অব হেভেন’ পরিদর্শন এবং রাষ্ট্রীয় ভোজসভার আয়োজন করেছে চীন।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
গত প্রায় এক দশকের মধ্যে প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে পৌঁছেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৩) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ট্রাম্পকে বহনকারী বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বেইজিংয়ে অবতরণ করলে তাঁকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও উষ্ণ আতিথেয়তায় বরণ করে নেওয়া হয়।
বিমানবন্দরে ট্রাম্পকে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেংসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাকে দেওয়া হয় রাজকীয় সামরিক গার্ড অব অনার। এ সময় চীনা শিশু-কিশোররা দুই দেশের পতাকা নাড়িয়ে এবং স্লোগান দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অভ্যর্থনা জানায়। হাস্যোজ্জ্বল ট্রাম্পকে এ সময় বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখা যায়।
ট্রাম্পের এই সফরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো তার সফরসঙ্গীরা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও বাণিজ্য খাতের একঝাঁক প্রভাবশালী প্রধান নির্বাহী (সিইও) তার সঙ্গে বেইজিংয়ে এসেছেন। এই তালিকায় রয়েছেন অ্যাপলের টিম কুক, টেসলা ও স্পেসএক্সের ইলন মাস্ক এবং ব্ল্যাকরকের ল্যারি ফিঙ্ক।
এ ছাড়া মেটা, ভিসা, বোয়িং ও ব্ল্যাকস্টোনের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও এই প্রতিনিধিদলের অন্তর্ভুক্ত। হোয়াইট হাউসের মতে, বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নিরসনে করপোরেট প্রধানদের এই উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামীকার বৃহস্পতিবার সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সফরের আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “আমি প্রেসিডেন্ট শি-কে অনুরোধ করব যেন তিনি চীনের বাজার ‘উন্মুক্ত’ করে দেন, যাতে এই অসাধারণ মেধাবী মানুষগুলো (সফরসঙ্গী ব্যবসায়ীরা) তাদের জাদু দেখাতে পারেন।”
বৈঠকে বাণিজ্য ছাড়াও ইরান পরিস্থিতি এবং তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। তেহরানকে চুক্তিতে রাজি করাতে বেইজিংয়ের সহায়তা চাইতে পারেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, তাইওয়ানের জন্য বরাদ্দকৃত ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজ নিয়ে চীনের কড়া বিরোধিতার মধ্যেই এই বৈঠক হতে যাচ্ছে।
দুই দিনের সফরে ট্রাম্পের জন্য ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ সংবর্ধনা, ৬০০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ‘টেম্পল অব হেভেন’ পরিদর্শন এবং রাষ্ট্রীয় ভোজসভার আয়োজন করেছে চীন।

আপনার মতামত লিখুন