ভারতের ফারাক্কা বাঁধের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে যে পানির অভাব দেখা দেয় এবং এর ফলে যে মরুকরণ ও লবণাক্ততার সৃষ্টি হয়, তা রোধ করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
আলোচিত পদ্মা ব্যারাজ
প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পের
ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। বুধবার একনেকের বৈঠকে এই প্রকল্পসহ মোট ৯টি
প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত ৯টি প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প রয়েছে ৩টি, সংশোধিত
প্রকল্প ৫টি ও মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয় ১টি প্রকল্পের। এসব প্রকল্পের ব্যয় ধরা
হয়েছে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা।
বিএনপি সরকার গঠনের
পর তৃতীয় একনেক বৈঠকে এসে প্রথম মেগা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হল। ২০৩৩ সালের জুনের
মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫
লাখ টাকার এ প্রকল্পের পুরো অর্থায়ন হবে সরকারের টাকায়।
পানিসম্পদ মন্ত্রী
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি গত ৬ মে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভ্যবতা
জরিপের কাজ শেষ হয়ে আসার তথ্য দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের
পর তিনি সেদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
ভারতের ফারাক্কা
বাঁধের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে যে পানির অভাব দেখা দেয় এবং এর ফলে যে মরুকরণ
ও লবণাক্ততার সৃষ্টি হয়, তা রোধ করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
প্রস্তাব অনুযায়ী,
রাজবাড়ী জেলার পাংশা পয়েন্টে পদ্মা নদীর ওপর একটি ব্যারেজ নির্মাণ করে পানি সংরক্ষণ
করা হবে, যা থেকে খাল বা ক্যানেলের মাধ্যমে কৃষিজমিতে পানি সরবরাহ করা যাবে। একই সঙ্গে
নদীর নাব্যতা রক্ষা, লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়নেও এ প্রকল্প ভূমিকা
রাখবে।
খুলনা, ঢাকা, রাজশাহী
ও বরিশাল বিভাগের ১৯টি জেলা এ প্রকল্পের আওতায় আসবে। হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতী,
চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতী নদী ব্যবস্থাপনাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হয়েছে
প্রকল্প নথিতে। পাশাপাশি সুন্দরবনে স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা, যশোরের ভবদহসহ
জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকায় পানি নিষ্কাশনের উন্নয়ন এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ বাড়ানোর
কথা বলা হয়েছে।
এ প্রকল্পের মূল
অংশ হল পদ্মা ব্যারেজ যা ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো হিসেবে
থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে গেট, ১৮টি আন্ডার স্লুইস, দুটি ফিশ পাস ও নেভিগেশন লক। এ ছাড়া
গড়াই অফ-টেক, চন্দনা অফ-টেক ও হিসনা অফ-টেক অবকাঠামো নির্মাণের কথা রয়েছে প্রকল্পে।
একই সঙ্গে ১১৩ মেগাওয়াটের
জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাও দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে মূল ব্যারাজ থেকে ৭৬ দশমিক ৪
মেগাওয়াট এবং গড়াই অফ-টেক থেকে ৩৬ দশমিক ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে হাইড্রো পাওয়ার
প্ল্যান্ট নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় গড়াই-মধুমতী নদীতে ১৩৫ দশমিক ৬০
কিলোমিটার ড্রেজিং এবং হিসনা নদী ব্যবস্থাপনায় ২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার পুনঃখনন কাজ
করা হবে। এ ছাড়া ১৮০ কিলোমিটার এফ্লাক্স বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে এ প্রকল্পের
পরিবেশগত প্রভাব, আন্তঃদেশীয় নদী ব্যবস্থাপনা, বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে পানি বণ্টন নিয়ে
নানা আলোচনা রয়েছে। এর আগে প্রকল্পটি কয়েক দফা একনেক সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের সময় প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপন করা হলেও তখন অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
বুধবার সচিবালয়ের
মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন
তারেক রহমান। অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার,
পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী
ইকবাল হাসান মাহমুদ, কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, শিল্প,
বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ
এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্বাস্থ্য
ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
মো. আসাদুজ্জামান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট
ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো
হলো, চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন (২য় সংশোধন) প্রকল্প,
গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। এই প্রকল্প দুইটি
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জেলা শহরে
বিদ্যমান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নীতকরণ
প্রকল্প। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হাই-টেক সিটি-২ এর সহায়ক অবকাঠামো
নির্মাণ (৩য় সংশোধন) প্রকল্প। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমনি
নিবাস নির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প।
এছাড়া প্রতিরক্ষা
মন্ত্রণালয়ের সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ
প্রকল্প। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড (পতেঙ্গা হতে
সাগরিকা) (৫ম সংশোধিত) প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পদ্মা ব্যারাজ (১ম পর্যায়)
প্রকল্প। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের
জন্য ধনুয়া হতে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধন) প্রকল্প।
এছাড়া পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত ২টি
প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভায় অবহিত করা হয়।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
ভারতের ফারাক্কা বাঁধের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে যে পানির অভাব দেখা দেয় এবং এর ফলে যে মরুকরণ ও লবণাক্ততার সৃষ্টি হয়, তা রোধ করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
আলোচিত পদ্মা ব্যারাজ
প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পের
ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। বুধবার একনেকের বৈঠকে এই প্রকল্পসহ মোট ৯টি
প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত ৯টি প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প রয়েছে ৩টি, সংশোধিত
প্রকল্প ৫টি ও মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয় ১টি প্রকল্পের। এসব প্রকল্পের ব্যয় ধরা
হয়েছে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা।
বিএনপি সরকার গঠনের
পর তৃতীয় একনেক বৈঠকে এসে প্রথম মেগা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হল। ২০৩৩ সালের জুনের
মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫
লাখ টাকার এ প্রকল্পের পুরো অর্থায়ন হবে সরকারের টাকায়।
পানিসম্পদ মন্ত্রী
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি গত ৬ মে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভ্যবতা
জরিপের কাজ শেষ হয়ে আসার তথ্য দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের
পর তিনি সেদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
ভারতের ফারাক্কা
বাঁধের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে যে পানির অভাব দেখা দেয় এবং এর ফলে যে মরুকরণ
ও লবণাক্ততার সৃষ্টি হয়, তা রোধ করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
প্রস্তাব অনুযায়ী,
রাজবাড়ী জেলার পাংশা পয়েন্টে পদ্মা নদীর ওপর একটি ব্যারেজ নির্মাণ করে পানি সংরক্ষণ
করা হবে, যা থেকে খাল বা ক্যানেলের মাধ্যমে কৃষিজমিতে পানি সরবরাহ করা যাবে। একই সঙ্গে
নদীর নাব্যতা রক্ষা, লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়নেও এ প্রকল্প ভূমিকা
রাখবে।
খুলনা, ঢাকা, রাজশাহী
ও বরিশাল বিভাগের ১৯টি জেলা এ প্রকল্পের আওতায় আসবে। হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতী,
চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতী নদী ব্যবস্থাপনাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হয়েছে
প্রকল্প নথিতে। পাশাপাশি সুন্দরবনে স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা, যশোরের ভবদহসহ
জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকায় পানি নিষ্কাশনের উন্নয়ন এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ বাড়ানোর
কথা বলা হয়েছে।
এ প্রকল্পের মূল
অংশ হল পদ্মা ব্যারেজ যা ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো হিসেবে
থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে গেট, ১৮টি আন্ডার স্লুইস, দুটি ফিশ পাস ও নেভিগেশন লক। এ ছাড়া
গড়াই অফ-টেক, চন্দনা অফ-টেক ও হিসনা অফ-টেক অবকাঠামো নির্মাণের কথা রয়েছে প্রকল্পে।
একই সঙ্গে ১১৩ মেগাওয়াটের
জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাও দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে মূল ব্যারাজ থেকে ৭৬ দশমিক ৪
মেগাওয়াট এবং গড়াই অফ-টেক থেকে ৩৬ দশমিক ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে হাইড্রো পাওয়ার
প্ল্যান্ট নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় গড়াই-মধুমতী নদীতে ১৩৫ দশমিক ৬০
কিলোমিটার ড্রেজিং এবং হিসনা নদী ব্যবস্থাপনায় ২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার পুনঃখনন কাজ
করা হবে। এ ছাড়া ১৮০ কিলোমিটার এফ্লাক্স বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে এ প্রকল্পের
পরিবেশগত প্রভাব, আন্তঃদেশীয় নদী ব্যবস্থাপনা, বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে পানি বণ্টন নিয়ে
নানা আলোচনা রয়েছে। এর আগে প্রকল্পটি কয়েক দফা একনেক সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের সময় প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপন করা হলেও তখন অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
বুধবার সচিবালয়ের
মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন
তারেক রহমান। অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার,
পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী
ইকবাল হাসান মাহমুদ, কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, শিল্প,
বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ
এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্বাস্থ্য
ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
মো. আসাদুজ্জামান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট
ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো
হলো, চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন (২য় সংশোধন) প্রকল্প,
গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। এই প্রকল্প দুইটি
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জেলা শহরে
বিদ্যমান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নীতকরণ
প্রকল্প। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হাই-টেক সিটি-২ এর সহায়ক অবকাঠামো
নির্মাণ (৩য় সংশোধন) প্রকল্প। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমনি
নিবাস নির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প।
এছাড়া প্রতিরক্ষা
মন্ত্রণালয়ের সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ
প্রকল্প। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড (পতেঙ্গা হতে
সাগরিকা) (৫ম সংশোধিত) প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পদ্মা ব্যারাজ (১ম পর্যায়)
প্রকল্প। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের
জন্য ধনুয়া হতে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধন) প্রকল্প।
এছাড়া পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত ২টি
প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভায় অবহিত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন