সংবাদ

কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সাজে সেজেছে পলাশ


প্রতিনিধি, পলাশ (নরসিংদী)
প্রতিনিধি, পলাশ (নরসিংদী)
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম

কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সাজে সেজেছে পলাশ
নরসিংদীর ঘোড়াশাল রেল স্টেশন এলাকায় ফুটে থাকা কৃষ্ণচূড়া ফুলের রক্তিম আভা। ছবি : সংবাদ

একসময় যেখানে ঝোপঝাড় ছিল, সেখানে এখন লাল ফুলে ছেয়ে গেছে চারপাশ। নরসিংদীর পলাশ উপজেলার প্রাণকেন্দ্র ঘোড়াশাল ঘোড়া চত্বর ও রেল স্টেশন এলাকা যেন কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম আভায় জ্বলছে। গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে কৃষ্ণচূড়া গাছের ছায়া অবসন্ন পথিকের মনে প্রশান্তি এনে দিচ্ছে।

ঘোড়াশাল রেল স্টেশন হয়ে প্রতিদিন প্রায় চার শতাধিক যাত্রী যাতায়াত করেন। তারেক নামে এক ট্রেনযাত্রী বলেন, ‘ঘোড়াশাল চত্বর ও রেল স্টেশন এলাকায় এলেই কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্য দেখে মনটা ভালো হয়ে যায়। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, নির্বিচারে গাছ কাটার ফলে আগের তুলনায় কৃষ্ণচূড়া গাছ অনেক কমে গেছে।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘোড়াশাল-পলাশ সড়কের পাশে এবং সারকারখানা এলাকার ভেতরে অন্তত ৪৫টি কৃষ্ণচূড়া গাছে এখন থোকায় থোকায় ফুল ফুটেছে। এ ছাড়া জিনারদী ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রামে পুরোনো ও বড় কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো এখন লাল রঙে ছেয়ে আছে। বিশেষ করে জিনারদী রেল স্টেশনের পাশে পুকুরপাড় ও বাগাসিয়া গ্রামে রক্তিম সাজে থাকা গাছগুলো দেখতে মানুষ ভিড় করছেন, ছবি তুলছেন।

জিনারদী এলাকার ‘জ্ঞানাঞ্জলি গণগ্রন্থাগার’-এর সম্পাদক অপু সেন বলেন, ‘আগে আমাদের এলাকায় প্রচুর কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে অনেক গাছ কাটা পড়েছে। এখন পুকুরপাড়ে ও গ্রামের ভেতরে হাতেগোনা কিছু গাছ টিকে আছে, যেগুলোতে এবার চমৎকার ফুল ফুটেছে।’

পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবের আইসিটি সম্পাদক মো. সাব্বির হোসেন বলেন, কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতির এক অনন্য উপহার। এই বৈশাখের খরতাপে লালে লাল হয়ে থাকা গাছগুলো ক্লান্তি দূর করে দেয়। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় আমাদের আরও বেশি করে কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগানো প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সাজে সেজেছে পলাশ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

একসময় যেখানে ঝোপঝাড় ছিল, সেখানে এখন লাল ফুলে ছেয়ে গেছে চারপাশ। নরসিংদীর পলাশ উপজেলার প্রাণকেন্দ্র ঘোড়াশাল ঘোড়া চত্বর ও রেল স্টেশন এলাকা যেন কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম আভায় জ্বলছে। গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে কৃষ্ণচূড়া গাছের ছায়া অবসন্ন পথিকের মনে প্রশান্তি এনে দিচ্ছে।

ঘোড়াশাল রেল স্টেশন হয়ে প্রতিদিন প্রায় চার শতাধিক যাত্রী যাতায়াত করেন। তারেক নামে এক ট্রেনযাত্রী বলেন, ‘ঘোড়াশাল চত্বর ও রেল স্টেশন এলাকায় এলেই কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্য দেখে মনটা ভালো হয়ে যায়। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, নির্বিচারে গাছ কাটার ফলে আগের তুলনায় কৃষ্ণচূড়া গাছ অনেক কমে গেছে।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘোড়াশাল-পলাশ সড়কের পাশে এবং সারকারখানা এলাকার ভেতরে অন্তত ৪৫টি কৃষ্ণচূড়া গাছে এখন থোকায় থোকায় ফুল ফুটেছে। এ ছাড়া জিনারদী ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রামে পুরোনো ও বড় কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো এখন লাল রঙে ছেয়ে আছে। বিশেষ করে জিনারদী রেল স্টেশনের পাশে পুকুরপাড় ও বাগাসিয়া গ্রামে রক্তিম সাজে থাকা গাছগুলো দেখতে মানুষ ভিড় করছেন, ছবি তুলছেন।

জিনারদী এলাকার ‘জ্ঞানাঞ্জলি গণগ্রন্থাগার’-এর সম্পাদক অপু সেন বলেন, ‘আগে আমাদের এলাকায় প্রচুর কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে অনেক গাছ কাটা পড়েছে। এখন পুকুরপাড়ে ও গ্রামের ভেতরে হাতেগোনা কিছু গাছ টিকে আছে, যেগুলোতে এবার চমৎকার ফুল ফুটেছে।’

পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবের আইসিটি সম্পাদক মো. সাব্বির হোসেন বলেন, কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতির এক অনন্য উপহার। এই বৈশাখের খরতাপে লালে লাল হয়ে থাকা গাছগুলো ক্লান্তি দূর করে দেয়। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় আমাদের আরও বেশি করে কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগানো প্রয়োজন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত