কোনো বৈধ ও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই ৪১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের অভিযোগ তুলে আসন্ন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন বাদ পড়া আইনজীবীরা।
মঙ্গলবার (১২ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সম্পাদক পদপ্রার্থী ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম বাদ পড়া প্রার্থীদের পক্ষে এই আহ্বান জানান।
১৩ ও ১৪ মে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (২০২৬-২০২৭) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বার নির্বাচনে মনোনয়ন বাতিল হওয়া আইনজীবী উপমা বিশ্বাস তাদের পক্ষ থেকে এ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, যথাযথ নিয়ম মেনে মনোনয়নপত্র দাখিল করার পরও প্রায় ৪১ জন স্বতন্ত্র ও সম্ভাব্য আইনজীবীকে বৈধ প্রার্থীর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম।
একটি বিশেষ গোষ্ঠী একতরফাভাবে নির্বাচন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে অভিযোগ করে ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম বলেন, “এটি শুধু অগণতান্ত্রিকই নয়, বরং আইনজীবী সমাজের মর্যাদা, ঐক্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিপন্থী। কোনো অবৈধ ও অযৌক্তিক শর্তের মাধ্যমে সহকর্মীদের নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”
প্রার্থীদের শ্রম ও বিপুল অর্থ ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্ধারিত বিধি অনুসরণ করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরও তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বারের সংবিধানে দলীয় রাজনীতির কোনো স্থান নেই এবং কোনো রাজনৈতিক দলের আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণে বার পরিচালিত হওয়া উচিত নয় বলেও এতে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।
নির্বাচন প্রক্রিয়াকে 'প্রহসন' আখ্যা দিয়ে এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেন, “যখন নির্বাচনের ফলাফল আগেই নির্ধারিত ও স্পষ্ট, তখন সমিতির লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে এই নির্বাচন আয়োজনের কোনো যৌক্তিকতা থাকে না। যাদের নির্বাচিত করতে চাওয়া হচ্ছে, তাদের নাম সরাসরি ঘোষণা করলেই এই বিপুল অর্থ অপচয় রোধ করা যেত।”
সংঘাত বা বিশৃঙ্খলায় না জড়িয়ে নীরব ও গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অংশ হিসেবে সাধারণ আইনজীবীদের ভোটদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।
সাধারণ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ব্যারিস্টার মোকছেদুল বলেন, “আপনারা আদালতে আসুন, মক্কেলের মামলা পরিচালনা করুন এবং স্বাভাবিক পেশাগত কার্যক্রম চালিয়ে যান। কিন্তু অনুগ্রহ করে ভোটকক্ষে প্রবেশ করবেন না এবং এই একতরফা ও প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ হবেন না।”
সুপ্রিম কোর্ট বারের ঐতিহ্য ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও পেশাগত মর্যাদার স্বার্থে এই বর্জনের ডাক দেওয়া হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
কোনো বৈধ ও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই ৪১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের অভিযোগ তুলে আসন্ন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন বাদ পড়া আইনজীবীরা।
মঙ্গলবার (১২ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সম্পাদক পদপ্রার্থী ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম বাদ পড়া প্রার্থীদের পক্ষে এই আহ্বান জানান।
১৩ ও ১৪ মে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (২০২৬-২০২৭) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বার নির্বাচনে মনোনয়ন বাতিল হওয়া আইনজীবী উপমা বিশ্বাস তাদের পক্ষ থেকে এ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, যথাযথ নিয়ম মেনে মনোনয়নপত্র দাখিল করার পরও প্রায় ৪১ জন স্বতন্ত্র ও সম্ভাব্য আইনজীবীকে বৈধ প্রার্থীর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম।
একটি বিশেষ গোষ্ঠী একতরফাভাবে নির্বাচন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে অভিযোগ করে ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম বলেন, “এটি শুধু অগণতান্ত্রিকই নয়, বরং আইনজীবী সমাজের মর্যাদা, ঐক্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিপন্থী। কোনো অবৈধ ও অযৌক্তিক শর্তের মাধ্যমে সহকর্মীদের নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”
প্রার্থীদের শ্রম ও বিপুল অর্থ ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্ধারিত বিধি অনুসরণ করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরও তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বারের সংবিধানে দলীয় রাজনীতির কোনো স্থান নেই এবং কোনো রাজনৈতিক দলের আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণে বার পরিচালিত হওয়া উচিত নয় বলেও এতে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।
নির্বাচন প্রক্রিয়াকে 'প্রহসন' আখ্যা দিয়ে এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেন, “যখন নির্বাচনের ফলাফল আগেই নির্ধারিত ও স্পষ্ট, তখন সমিতির লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে এই নির্বাচন আয়োজনের কোনো যৌক্তিকতা থাকে না। যাদের নির্বাচিত করতে চাওয়া হচ্ছে, তাদের নাম সরাসরি ঘোষণা করলেই এই বিপুল অর্থ অপচয় রোধ করা যেত।”
সংঘাত বা বিশৃঙ্খলায় না জড়িয়ে নীরব ও গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অংশ হিসেবে সাধারণ আইনজীবীদের ভোটদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।
সাধারণ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ব্যারিস্টার মোকছেদুল বলেন, “আপনারা আদালতে আসুন, মক্কেলের মামলা পরিচালনা করুন এবং স্বাভাবিক পেশাগত কার্যক্রম চালিয়ে যান। কিন্তু অনুগ্রহ করে ভোটকক্ষে প্রবেশ করবেন না এবং এই একতরফা ও প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ হবেন না।”
সুপ্রিম কোর্ট বারের ঐতিহ্য ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও পেশাগত মর্যাদার স্বার্থে এই বর্জনের ডাক দেওয়া হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন