কেরলে দীর্ঘ ১০ দিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করল কংগ্রেস নেতৃত্ব। ভি ডি সতীশনকেই কেরলের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিল্লিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও কেরল দায়িত্বপ্রাপ্ত দীপা দাশমুন্সি।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা অজয় মাকেন, মুকুল ওয়াসনিক এবং জয়রাম রমেশ-সহ আরও অনেকে।
দক্ষিণ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ এই রাজ্যে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ) জোট ১০২টি আসনে জয়লাভ করে ক্ষমতায় আসে। কিন্তু ফল ঘোষণার পরও মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে দলীয় অন্দরে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়। প্রায় ১০ দিন ধরে চলা টানাপোড়েনের পর অবশেষে পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে সতীশনের নামেই সিলমোহর পড়ে।
মুখ্যমন্ত্রী পদে দৌড়ে ছিলেন আরও কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন কে সি বেণুগোপাল এবং প্রবীণ নেতা রমেশ চেন্নিতালা। প্রথমদিকে দলের একাংশ বেণুগোপালের নাম সমর্থন করলেও, অন্য অংশ সতীশনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেয়। তাদের যুক্তি ছিল- ২০২১ সালের ভরাডুবির পর ইউডিএফকে পুনর্গঠন করে সংগঠনকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়েছেন সতীশনই।
শেষপর্যন্ত দিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গের বাসভবনে রাহুল গান্ধী-সহ শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হবে-এবং সেই প্রতিশ্রুতি মতোই সামনে আসে সতীশনের নাম।
ঘোষণার পর কংগ্রেস নেতৃত্ব জানায়, খুব শিগগিরই শপথ গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কংগ্রেস কেরলে সংগঠনকে আরও সুসংহত করা এবং নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ভবিষ্যতের লড়াইয়ের প্রস্তুতির বার্তা দিল।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
কেরলে দীর্ঘ ১০ দিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করল কংগ্রেস নেতৃত্ব। ভি ডি সতীশনকেই কেরলের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিল্লিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও কেরল দায়িত্বপ্রাপ্ত দীপা দাশমুন্সি।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা অজয় মাকেন, মুকুল ওয়াসনিক এবং জয়রাম রমেশ-সহ আরও অনেকে।
দক্ষিণ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ এই রাজ্যে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ) জোট ১০২টি আসনে জয়লাভ করে ক্ষমতায় আসে। কিন্তু ফল ঘোষণার পরও মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে দলীয় অন্দরে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়। প্রায় ১০ দিন ধরে চলা টানাপোড়েনের পর অবশেষে পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে সতীশনের নামেই সিলমোহর পড়ে।
মুখ্যমন্ত্রী পদে দৌড়ে ছিলেন আরও কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন কে সি বেণুগোপাল এবং প্রবীণ নেতা রমেশ চেন্নিতালা। প্রথমদিকে দলের একাংশ বেণুগোপালের নাম সমর্থন করলেও, অন্য অংশ সতীশনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেয়। তাদের যুক্তি ছিল- ২০২১ সালের ভরাডুবির পর ইউডিএফকে পুনর্গঠন করে সংগঠনকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়েছেন সতীশনই।
শেষপর্যন্ত দিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গের বাসভবনে রাহুল গান্ধী-সহ শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হবে-এবং সেই প্রতিশ্রুতি মতোই সামনে আসে সতীশনের নাম।
ঘোষণার পর কংগ্রেস নেতৃত্ব জানায়, খুব শিগগিরই শপথ গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কংগ্রেস কেরলে সংগঠনকে আরও সুসংহত করা এবং নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ভবিষ্যতের লড়াইয়ের প্রস্তুতির বার্তা দিল।

আপনার মতামত লিখুন