উত্তরাঞ্চলের চতুর্থ বৃহত্তম আম উৎপাদনকারী জেলা নাটোরে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে চলতি মৌসুমের আম সংগ্রহ। গতকাল থেকে জেলার বিভিন্ন বাগানে গুটি ও বৈশাখী জাতের আম পাড়া শুরু করেছেন চাষিরা। অনুকূল আবহাওয়া ও বাম্পার ফলনের কারণে এবার জেলায় ৪০০ কোটি টাকার বেশি আম বাণিজ্যের সম্ভাবনা দেখছে কৃষি বিভাগ ও বাগানমালিকেরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সূত্রে জানা গেছে, এ বছর নাটোরে ৫ হাজার ৬৯৩ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৮ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন। গত বছর জেলায় প্রায় ৩৫০ কোটি টাকার আম কেনাবেচা হলেও এবার তা ৪০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গতকাল সকালে সদর উপজেলার বিভিন্ন বাগানে গিয়ে দেখা যায় আম সংগ্রহের ব্যস্ততা। শ্রমিকেরা গাছ থেকে আম নামিয়ে বাছাই ও বাজারজাত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সদর উপজেলার বাগানমালিক ইউসুফ আহমেদ বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। এখন বাজারে সঠিক দাম পেলে কৃষকেরা লাভবান হবেন।’ তবে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে চাষিদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কাও রয়েছে।
নিরাপদ ও রাসায়নিকমুক্ত আম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন আম সংগ্রহের একটি সময়সূচি নির্ধারণ করে দিয়েছে। সেই নির্দেশনা মেনেই আম নামাচ্ছেন চাষিরা। সময়সূচি অনুযায়ী, ২৫ মে গোপালভোগ, ৩০ মে ক্ষীরশাপাত, ৫ জুন লক্ষণভোগ, ১৫ জুন ল্যাংড়া ও আম্রপালি এবং ২০ জুলাই থেকে আশ্বিনা আম সংগ্রহ করা যাবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. হাবিবুল ইসলাম খান বলেন, নাটোরে আমের ফলন এবার বেশ ভালো। আশা করা হচ্ছে, এবার আম বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন বলেন, ‘ভোক্তারা যাতে নিরাপদ ও পরিপক্ব আম পান, সে জন্য সময়সূচি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। আম বিপণন ও পরিবহনে যাতে কোনো বাধা না থাকে, সে বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে।’

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
উত্তরাঞ্চলের চতুর্থ বৃহত্তম আম উৎপাদনকারী জেলা নাটোরে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে চলতি মৌসুমের আম সংগ্রহ। গতকাল থেকে জেলার বিভিন্ন বাগানে গুটি ও বৈশাখী জাতের আম পাড়া শুরু করেছেন চাষিরা। অনুকূল আবহাওয়া ও বাম্পার ফলনের কারণে এবার জেলায় ৪০০ কোটি টাকার বেশি আম বাণিজ্যের সম্ভাবনা দেখছে কৃষি বিভাগ ও বাগানমালিকেরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সূত্রে জানা গেছে, এ বছর নাটোরে ৫ হাজার ৬৯৩ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৮ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন। গত বছর জেলায় প্রায় ৩৫০ কোটি টাকার আম কেনাবেচা হলেও এবার তা ৪০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গতকাল সকালে সদর উপজেলার বিভিন্ন বাগানে গিয়ে দেখা যায় আম সংগ্রহের ব্যস্ততা। শ্রমিকেরা গাছ থেকে আম নামিয়ে বাছাই ও বাজারজাত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সদর উপজেলার বাগানমালিক ইউসুফ আহমেদ বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। এখন বাজারে সঠিক দাম পেলে কৃষকেরা লাভবান হবেন।’ তবে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে চাষিদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কাও রয়েছে।
নিরাপদ ও রাসায়নিকমুক্ত আম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন আম সংগ্রহের একটি সময়সূচি নির্ধারণ করে দিয়েছে। সেই নির্দেশনা মেনেই আম নামাচ্ছেন চাষিরা। সময়সূচি অনুযায়ী, ২৫ মে গোপালভোগ, ৩০ মে ক্ষীরশাপাত, ৫ জুন লক্ষণভোগ, ১৫ জুন ল্যাংড়া ও আম্রপালি এবং ২০ জুলাই থেকে আশ্বিনা আম সংগ্রহ করা যাবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. হাবিবুল ইসলাম খান বলেন, নাটোরে আমের ফলন এবার বেশ ভালো। আশা করা হচ্ছে, এবার আম বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন বলেন, ‘ভোক্তারা যাতে নিরাপদ ও পরিপক্ব আম পান, সে জন্য সময়সূচি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। আম বিপণন ও পরিবহনে যাতে কোনো বাধা না থাকে, সে বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন