বৈশাখ শেষের টানা বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টিতে পঞ্চগড়ে বাদাম চাষে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে রোপণ করা বাদাম ক্ষেতে পানি জমে যাওয়ায় গাছ মরে যাচ্ছে এবং অপরিপক্ব বাদাম পচে নষ্ট হচ্ছে। অকাল এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফলন বিপর্যয়ের পাশাপাশি বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এ অঞ্চলের চাষিরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পঞ্চগড়ে বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৯ হাজার ৭০০ হেক্টর। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার প্রায় ৪৬ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে বাদামের আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে।
বোদা উপজেলার সদর ইউনিয়নের তিতোপাড়া গ্রামের বাদাম চাষি আবুল হোসেন বলেন, ‘বৈশাখ মাসের শেষের এই বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টিতে আমাদের চরম ক্ষতি হয়ে গেল। ক্ষেতে পানি জমে থাকায় বাদাম পচতে শুরু করেছে। বিঘাপ্রতি ফলন ৩ থেকে ৪ মণ কমে যেতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।’
চাষিরা বলছেন, জেলায় ধানের পরেই অর্থকরী ফসল হিসেবে বাদামের অবস্থান। সময়মতো বাজারজাত করতে না পারলে কৃষকেরা চরম সংকটে পড়বেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট এই প্রতিকূল আবহাওয়ায় বাদাম চাষ এখন হুমকির মুখে।
বোদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, আগাম বৃষ্টিতে নিচু জমির বাদাম ক্ষেত কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে রোদ উঠলে এবং দ্রুত পানি নেমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ কমে আসবে। এ অঞ্চলের মাটি বাদাম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় কৃষকেরা প্রতিবছর বিপুল উৎসাহে বাদাম চাষ করেন।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
বৈশাখ শেষের টানা বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টিতে পঞ্চগড়ে বাদাম চাষে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে রোপণ করা বাদাম ক্ষেতে পানি জমে যাওয়ায় গাছ মরে যাচ্ছে এবং অপরিপক্ব বাদাম পচে নষ্ট হচ্ছে। অকাল এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফলন বিপর্যয়ের পাশাপাশি বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এ অঞ্চলের চাষিরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পঞ্চগড়ে বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৯ হাজার ৭০০ হেক্টর। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার প্রায় ৪৬ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে বাদামের আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে।
বোদা উপজেলার সদর ইউনিয়নের তিতোপাড়া গ্রামের বাদাম চাষি আবুল হোসেন বলেন, ‘বৈশাখ মাসের শেষের এই বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টিতে আমাদের চরম ক্ষতি হয়ে গেল। ক্ষেতে পানি জমে থাকায় বাদাম পচতে শুরু করেছে। বিঘাপ্রতি ফলন ৩ থেকে ৪ মণ কমে যেতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।’
চাষিরা বলছেন, জেলায় ধানের পরেই অর্থকরী ফসল হিসেবে বাদামের অবস্থান। সময়মতো বাজারজাত করতে না পারলে কৃষকেরা চরম সংকটে পড়বেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট এই প্রতিকূল আবহাওয়ায় বাদাম চাষ এখন হুমকির মুখে।
বোদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, আগাম বৃষ্টিতে নিচু জমির বাদাম ক্ষেত কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে রোদ উঠলে এবং দ্রুত পানি নেমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ কমে আসবে। এ অঞ্চলের মাটি বাদাম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় কৃষকেরা প্রতিবছর বিপুল উৎসাহে বাদাম চাষ করেন।

আপনার মতামত লিখুন