সংবাদ

খামারে পশু কেনায় আগ্রহ বাড়ছে ক্রেতাদের


প্রতিনিধি, পলাশ (নরসিংদী)
প্রতিনিধি, পলাশ (নরসিংদী)
প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ০১:২৯ পিএম

খামারে পশু কেনায় আগ্রহ বাড়ছে ক্রেতাদের
খামারিদের পরম যত্নে বেড়ে উঠছে কোরবানির পশু। ছবি : সংবাদ

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নরসিংদীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পশুর খামারিরা। ক্ষতিকর রাসায়নিক বা ওষুধের ব্যবহার ছাড়াই সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে ঘাস ও দানাদার খাবার খাইয়ে কোরবানির পশু প্রস্তুত করছেন তারা। নিরাপদ পশুর নিশ্চয়তা পাওয়ায় হাটে যাওয়ার ঝামেলা এড়িয়ে খামার থেকেই পশু কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন ক্রেতারা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর নরসিংদীতে ৯ হাজার ১৮০ জন খামারি মোট ৮৫ হাজার ৯০৫টি কোরবানির পশু লালন-পালন করছেন। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এই পশুগুলো পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও সরবরাহ করা হবে।

সরেজমিনে পলাশ উপজেলার ভিরিন্দা গ্রামের ‘হাম্বা ফার্মে’ গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কোরবানির জন্য প্রায় ২২০টি গরু ও থাইল্যান্ড থেকে আনা কয়েকটি গোলাপি মহিষ প্রস্তুত করা হয়েছে। এরই মধ্যে খামারের অর্ধেক পশু বিক্রি হয়ে গেছে। খামারিরা জানান, তারা খড়, ভুসি ও নিজেদের জমিতে উৎপাদিত ঘাস খাইয়ে গরু বড় করছেন। ক্রেতাদের সুবিধার্থে অনেক খামারি ‘লাইভ ওয়েট’ বা জীবন্ত ওজনের ভিত্তিতে গরু বিক্রি করছেন এবং ঈদের আগে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার সুবিধাও দিচ্ছেন।

হাম্বা ফার্মের ম্যানেজার ফারিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পশু পালন করি। ১৩৮ বিঘা জমিতে চাষ করা ঘাসই আমাদের প্রধান খাবার। স্টেরয়েডমুক্ত হওয়ায় ক্রেতাদের বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি।’

খামারে গরু কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, হাটের ভিড় ও দালালদের দৌরাত্ম্য এড়াতে খামার থেকে গরু কেনা অনেক বেশি নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক। নিজেদের চোখের সামনে যাচাই করে পশু পছন্দ করা যায়।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পশু মোটাতাজাকরণে খামারিরা যেন কোনো ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করতে না পারেন, সে জন্য আমরা নিবিড় তদারকি করছি। এ বছর জেলায় চাহিদার তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত রয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬


খামারে পশু কেনায় আগ্রহ বাড়ছে ক্রেতাদের

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নরসিংদীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পশুর খামারিরা। ক্ষতিকর রাসায়নিক বা ওষুধের ব্যবহার ছাড়াই সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে ঘাস ও দানাদার খাবার খাইয়ে কোরবানির পশু প্রস্তুত করছেন তারা। নিরাপদ পশুর নিশ্চয়তা পাওয়ায় হাটে যাওয়ার ঝামেলা এড়িয়ে খামার থেকেই পশু কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন ক্রেতারা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর নরসিংদীতে ৯ হাজার ১৮০ জন খামারি মোট ৮৫ হাজার ৯০৫টি কোরবানির পশু লালন-পালন করছেন। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এই পশুগুলো পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও সরবরাহ করা হবে।

সরেজমিনে পলাশ উপজেলার ভিরিন্দা গ্রামের ‘হাম্বা ফার্মে’ গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কোরবানির জন্য প্রায় ২২০টি গরু ও থাইল্যান্ড থেকে আনা কয়েকটি গোলাপি মহিষ প্রস্তুত করা হয়েছে। এরই মধ্যে খামারের অর্ধেক পশু বিক্রি হয়ে গেছে। খামারিরা জানান, তারা খড়, ভুসি ও নিজেদের জমিতে উৎপাদিত ঘাস খাইয়ে গরু বড় করছেন। ক্রেতাদের সুবিধার্থে অনেক খামারি ‘লাইভ ওয়েট’ বা জীবন্ত ওজনের ভিত্তিতে গরু বিক্রি করছেন এবং ঈদের আগে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার সুবিধাও দিচ্ছেন।

হাম্বা ফার্মের ম্যানেজার ফারিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পশু পালন করি। ১৩৮ বিঘা জমিতে চাষ করা ঘাসই আমাদের প্রধান খাবার। স্টেরয়েডমুক্ত হওয়ায় ক্রেতাদের বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি।’

খামারে গরু কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, হাটের ভিড় ও দালালদের দৌরাত্ম্য এড়াতে খামার থেকে গরু কেনা অনেক বেশি নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক। নিজেদের চোখের সামনে যাচাই করে পশু পছন্দ করা যায়।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পশু মোটাতাজাকরণে খামারিরা যেন কোনো ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করতে না পারেন, সে জন্য আমরা নিবিড় তদারকি করছি। এ বছর জেলায় চাহিদার তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত রয়েছে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত