পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে এক রোগীকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ক্লিনিকের দায়িত্বরত কেউ না থাকায় একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ওই রোগীকে ডায়াবেটিসের এই ওষুধ দেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সুটিয়াকাঠি ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকে। ভুক্তভোগী পারভীন আক্তার জানান, গতকাল সকালে তিনি ওই ক্লিনিকে ডায়াবেটিসের ওষুধ নিতে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) কর্মস্থলে নেই। পরিচ্ছন্নতাকর্মী মিতু আক্তার তার ছেলেকে পড়াশোনা করাচ্ছিলেন। পরে মিতুই তাকে ডায়াবেটিসের ওষুধ দেন। বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় এক ব্যক্তি ওষুধের গায়ে লেখা মেয়াদ দেখে সেটিকে মেয়াদোত্তীর্ণ বলে শনাক্ত করেন।
পারভীন আক্তার বলেন, ‘আমি আগেও এই ক্লিনিক থেকে মিতুর কাছ থেকে ওষুধ নিয়েছি। কিন্তু এবার জানলাম ওষুধটির মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গেছে।’ একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী কীভাবে রোগীদের ওষুধ বিতরণ করেন এবং ক্লিনিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কেন রাখা হয়েছে, তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ক্লিনিকের সিএইচসিপি সারমিন আক্তার বলেন, ‘আমি একটি বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ডিউটিতে ছিলাম। তবে আমাদের ক্লিনিকে ওষুধের চাহিদা অনেক বেশি, তাই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ থাকার কথা নয়। এই ওষুধ কোথা থেকে এল, তা বুঝতে পারছি না। অনুমতি ছাড়াই মিতু কেন ওষুধ বিতরণ করলেন, সে জন্য তাকে জবাবদিহি করতে হবে।’
নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা চিকিৎসক আসাদুজ্জামান বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ওষুধ বিতরণের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে এক রোগীকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ক্লিনিকের দায়িত্বরত কেউ না থাকায় একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ওই রোগীকে ডায়াবেটিসের এই ওষুধ দেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সুটিয়াকাঠি ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকে। ভুক্তভোগী পারভীন আক্তার জানান, গতকাল সকালে তিনি ওই ক্লিনিকে ডায়াবেটিসের ওষুধ নিতে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) কর্মস্থলে নেই। পরিচ্ছন্নতাকর্মী মিতু আক্তার তার ছেলেকে পড়াশোনা করাচ্ছিলেন। পরে মিতুই তাকে ডায়াবেটিসের ওষুধ দেন। বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় এক ব্যক্তি ওষুধের গায়ে লেখা মেয়াদ দেখে সেটিকে মেয়াদোত্তীর্ণ বলে শনাক্ত করেন।
পারভীন আক্তার বলেন, ‘আমি আগেও এই ক্লিনিক থেকে মিতুর কাছ থেকে ওষুধ নিয়েছি। কিন্তু এবার জানলাম ওষুধটির মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গেছে।’ একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী কীভাবে রোগীদের ওষুধ বিতরণ করেন এবং ক্লিনিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কেন রাখা হয়েছে, তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ক্লিনিকের সিএইচসিপি সারমিন আক্তার বলেন, ‘আমি একটি বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ডিউটিতে ছিলাম। তবে আমাদের ক্লিনিকে ওষুধের চাহিদা অনেক বেশি, তাই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ থাকার কথা নয়। এই ওষুধ কোথা থেকে এল, তা বুঝতে পারছি না। অনুমতি ছাড়াই মিতু কেন ওষুধ বিতরণ করলেন, সে জন্য তাকে জবাবদিহি করতে হবে।’
নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা চিকিৎসক আসাদুজ্জামান বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ওষুধ বিতরণের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন