হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুমূর্ষু বাবাকে দেখতে শ্বশুরবাড়ি থেকে এসেছিলেন শিখা আক্তার (২২)। বাবার সেবা করতে তিন দিন ধরে ছিলেন বাবার বাড়িতেই। কিন্তু বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় এক প্রতিবেশীর নেওয়া অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের তারে জড়িয়ে প্রাণ হারালেন তিনি। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের মাদারের চর এলাকায়।
নিহত শিখা আক্তার ওই এলাকার সুরুজ্জামাল শেখের মেয়ে। তার তিন বছর বয়সী একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। শিখার এই অকালমৃত্যুতে তার বাপের বাড়ি ও শ্বশুরবাড়ি উভয় পরিবারে শোকের মাতম চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী মামুন মণ্ডল পল্লী বিদ্যুতের মেইন লাইন থেকে অবৈধভাবে একটি সংযোগ নিয়েছিলেন। সম্প্রতি পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যান এসে ওই অবৈধ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দিলেও তারটি শিখা আক্তারের বাড়ির উঠানে পড়ে ছিল। পার্শ্ববর্তী অন্য একটি বাড়ি থেকে নেওয়া সংযোগের কারণে ওই তারটি বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় উঠান থেকে ছাগল আনতে গিয়ে ওই তারে পা লাগলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই শিখার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর শিখার তিন বছরের শিশুসন্তান সিফাত তার বাবাকে ফোন করে বলে, ‘বাবা, মা মারা গেছে।’ অবুঝ শিশুর সেই আকুতি শুনে এলাকায় শোকের ছায়া আরও ঘনীভূত হয়।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মামুন মণ্ডল ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মামুনের গাফিলতি ও অবৈধ সংযোগের কারণেই এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুমূর্ষু বাবাকে দেখতে শ্বশুরবাড়ি থেকে এসেছিলেন শিখা আক্তার (২২)। বাবার সেবা করতে তিন দিন ধরে ছিলেন বাবার বাড়িতেই। কিন্তু বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় এক প্রতিবেশীর নেওয়া অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের তারে জড়িয়ে প্রাণ হারালেন তিনি। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের মাদারের চর এলাকায়।
নিহত শিখা আক্তার ওই এলাকার সুরুজ্জামাল শেখের মেয়ে। তার তিন বছর বয়সী একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। শিখার এই অকালমৃত্যুতে তার বাপের বাড়ি ও শ্বশুরবাড়ি উভয় পরিবারে শোকের মাতম চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী মামুন মণ্ডল পল্লী বিদ্যুতের মেইন লাইন থেকে অবৈধভাবে একটি সংযোগ নিয়েছিলেন। সম্প্রতি পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যান এসে ওই অবৈধ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দিলেও তারটি শিখা আক্তারের বাড়ির উঠানে পড়ে ছিল। পার্শ্ববর্তী অন্য একটি বাড়ি থেকে নেওয়া সংযোগের কারণে ওই তারটি বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় উঠান থেকে ছাগল আনতে গিয়ে ওই তারে পা লাগলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই শিখার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর শিখার তিন বছরের শিশুসন্তান সিফাত তার বাবাকে ফোন করে বলে, ‘বাবা, মা মারা গেছে।’ অবুঝ শিশুর সেই আকুতি শুনে এলাকায় শোকের ছায়া আরও ঘনীভূত হয়।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মামুন মণ্ডল ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মামুনের গাফিলতি ও অবৈধ সংযোগের কারণেই এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

আপনার মতামত লিখুন