দেশের প্রচলিত সমাজব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অবস্থান এখন আর প্রান্তিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই। তারা নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে বর্তমানে সচিবালয়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চপদে আসীন হয়েছেন।
শনিবার
(১৬ মে) সিরাজগঞ্জ শহরের
মুক্তির সোপান চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ,
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এসব কথা
বলেন। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ফেডারেশনের
উদ্যোগে ‘বৈচিত্র্যের ঐক্য ও সংস্কৃতির
মিলন মেলা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন
করা হয়।
প্রধান
অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর
শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ
করেন। তিনি বলেন, “ক্ষুদ্র
নৃগোষ্ঠীরা আর পিছিয়ে নেই।
তারা বর্তমানে সচিবালয়সহ দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চাকরি করছেন। শুধু তাই নয়,
সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তাদের জন্য আলাদা কোটা
রয়েছে।”
পুরোনো
সংস্কার ও সংস্কৃতিকে আকড়ে
ধরে না থেকে বর্তমান
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে
চলার পরামর্শ দিয়ে তিনি আরও
বলেন, “পুরোনো সংস্কৃতি ভুলে গিয়ে ক্ষুদ্র
নৃগোষ্ঠীর ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনায়
মনোনিবেশ করতে হবে। এক
সময় এই গোষ্ঠীর মেয়েরা
স্বামীর পা ধুয়ে দিতো।
ফলে মেয়েদের মানবিকতার জন্ম হতো না।
তারা মানসিকভাবে পুরুষের তুলনায় নিজেদের ছোট ভাবতো। এটা
মোটেও ঠিক না।”
যুগের
পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে জ্বালানি
মন্ত্রী বলেন, এখন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর
মেয়েরাও বিসিএস ক্যাডার হয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ
দায়িত্ব পালন করছেন।
বর্তমান
প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “তোমরা
শিক্ষিত হলে দেশ পরিচালনার
দায়িত্ব এক সময় তোমাদের
হাতেই পৌঁছাবে। তোমরা পিছিয়ে নেই, মূলত তোমাদের
মানসিকতা পিছিয়ে রাখার জন্য তোমরা পিছিয়ে
আছো।”
তিনি
সবাইকে পুরোনো মানসিকতা ঝেড়ে ফেলে নিজ
ধর্ম পালনের পাশাপাশি সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার তাগিদ দেন।
উক্ত
মিলন মেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল
ইসলাম ও পুলিশ সুপার
সাইফুল ইসলাম সানতু।
এছাড়াও
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ ও রাজনৈতিক কর্মীরা
অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বক্তারা
সকলে একযোগে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং তাদের
মূলধারার সাথে আরও নিবিড়ভাবে
সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
দেশের প্রচলিত সমাজব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অবস্থান এখন আর প্রান্তিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই। তারা নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে বর্তমানে সচিবালয়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চপদে আসীন হয়েছেন।
শনিবার
(১৬ মে) সিরাজগঞ্জ শহরের
মুক্তির সোপান চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ,
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এসব কথা
বলেন। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ফেডারেশনের
উদ্যোগে ‘বৈচিত্র্যের ঐক্য ও সংস্কৃতির
মিলন মেলা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন
করা হয়।
প্রধান
অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর
শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ
করেন। তিনি বলেন, “ক্ষুদ্র
নৃগোষ্ঠীরা আর পিছিয়ে নেই।
তারা বর্তমানে সচিবালয়সহ দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চাকরি করছেন। শুধু তাই নয়,
সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তাদের জন্য আলাদা কোটা
রয়েছে।”
পুরোনো
সংস্কার ও সংস্কৃতিকে আকড়ে
ধরে না থেকে বর্তমান
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে
চলার পরামর্শ দিয়ে তিনি আরও
বলেন, “পুরোনো সংস্কৃতি ভুলে গিয়ে ক্ষুদ্র
নৃগোষ্ঠীর ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনায়
মনোনিবেশ করতে হবে। এক
সময় এই গোষ্ঠীর মেয়েরা
স্বামীর পা ধুয়ে দিতো।
ফলে মেয়েদের মানবিকতার জন্ম হতো না।
তারা মানসিকভাবে পুরুষের তুলনায় নিজেদের ছোট ভাবতো। এটা
মোটেও ঠিক না।”
যুগের
পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে জ্বালানি
মন্ত্রী বলেন, এখন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর
মেয়েরাও বিসিএস ক্যাডার হয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ
দায়িত্ব পালন করছেন।
বর্তমান
প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “তোমরা
শিক্ষিত হলে দেশ পরিচালনার
দায়িত্ব এক সময় তোমাদের
হাতেই পৌঁছাবে। তোমরা পিছিয়ে নেই, মূলত তোমাদের
মানসিকতা পিছিয়ে রাখার জন্য তোমরা পিছিয়ে
আছো।”
তিনি
সবাইকে পুরোনো মানসিকতা ঝেড়ে ফেলে নিজ
ধর্ম পালনের পাশাপাশি সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার তাগিদ দেন।
উক্ত
মিলন মেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল
ইসলাম ও পুলিশ সুপার
সাইফুল ইসলাম সানতু।
এছাড়াও
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ ও রাজনৈতিক কর্মীরা
অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বক্তারা
সকলে একযোগে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং তাদের
মূলধারার সাথে আরও নিবিড়ভাবে
সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন