সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ শনিবার টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হয়ে কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়।
অভিষেক
টেস্টে শুরুটা ভালো করলেও ৩৪
বলে ২৬ রান করে
আব্বাসের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তানজিদ হাসান
তামিম। দলীয় ৪৪ রানে দ্বিতীয়
উইকেট হারানোর পর সেট হয়ে
যাওয়া মুমিনুল হকও খুররম শেহজাদের
দারুণ এক ডেলিভারিতে ২২
রানে বোল্ড হন।
৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে
লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার পর দ্রুত সাজঘরে
ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত (২৯), মুশফিকুর রহিম
(২৩) আর মেহেদী হাসান
মিরাজ (৪)। ১০৬
রানে ৬ উইকেট হারিয়ে
ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে স্রোতের
বিপরীতে দাঁড়িয়ে উদ্ধার করেন লিটন কুমার
দাস। ১৬টি চার ও
২টি ছক্কায় সাজানো চোখধাঁধানো এক ইনিংসে তিনি
তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের
ষষ্ঠ এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে
টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।
এই ইনিংস খেলার পথে তাইজুলের ১৬
রানের বিদায়ের পর শরিফুলের সঙ্গে
৬৪ রানের মূল্যবান জুটি গড়েন লিটন।
নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১২৬
রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ ব্যাটার হিসেবে
নাহিদ রানা শূন্য রানে
আউট হলে বাংলাদেশ অলআউট
হওয়ার আগে ২৭৮ রান
সংগ্রহ করে। পাকিস্তানের পক্ষে
খুররম শেহজাদ ৪টি এবং মোহাম্মদ
আব্বাস ৩টি উইকেট নেন।
প্রথম
দিন শেষে বাংলাদেশ দলের
চেয়ে এখনও ২৫৭ রানে
পিছিয়ে আছে পাকিস্তান। শেষ
বিকালে ৬ ওভার ব্যাটিং
করার সুযোগ পেয়ে কোনো উইকেট
না হারিয়ে সফরকারীরা ২১ রান সংগ্রহ
করেছে। আজম আওয়াইজ ১৩
ও আব্দুল্লাহ ফজল ৮ রানে
অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
বাংলাদেশের বোলার তাসকিন, শরিফুল, মিরাজ ও নাহিদ রানা
নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও প্রথম দিনে কোনো উইকেটের
দেখা পাননি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ শনিবার টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হয়ে কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়।
অভিষেক
টেস্টে শুরুটা ভালো করলেও ৩৪
বলে ২৬ রান করে
আব্বাসের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তানজিদ হাসান
তামিম। দলীয় ৪৪ রানে দ্বিতীয়
উইকেট হারানোর পর সেট হয়ে
যাওয়া মুমিনুল হকও খুররম শেহজাদের
দারুণ এক ডেলিভারিতে ২২
রানে বোল্ড হন।
৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে
লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার পর দ্রুত সাজঘরে
ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত (২৯), মুশফিকুর রহিম
(২৩) আর মেহেদী হাসান
মিরাজ (৪)। ১০৬
রানে ৬ উইকেট হারিয়ে
ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে স্রোতের
বিপরীতে দাঁড়িয়ে উদ্ধার করেন লিটন কুমার
দাস। ১৬টি চার ও
২টি ছক্কায় সাজানো চোখধাঁধানো এক ইনিংসে তিনি
তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের
ষষ্ঠ এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে
টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।
এই ইনিংস খেলার পথে তাইজুলের ১৬
রানের বিদায়ের পর শরিফুলের সঙ্গে
৬৪ রানের মূল্যবান জুটি গড়েন লিটন।
নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১২৬
রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ ব্যাটার হিসেবে
নাহিদ রানা শূন্য রানে
আউট হলে বাংলাদেশ অলআউট
হওয়ার আগে ২৭৮ রান
সংগ্রহ করে। পাকিস্তানের পক্ষে
খুররম শেহজাদ ৪টি এবং মোহাম্মদ
আব্বাস ৩টি উইকেট নেন।
প্রথম
দিন শেষে বাংলাদেশ দলের
চেয়ে এখনও ২৫৭ রানে
পিছিয়ে আছে পাকিস্তান। শেষ
বিকালে ৬ ওভার ব্যাটিং
করার সুযোগ পেয়ে কোনো উইকেট
না হারিয়ে সফরকারীরা ২১ রান সংগ্রহ
করেছে। আজম আওয়াইজ ১৩
ও আব্দুল্লাহ ফজল ৮ রানে
অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
বাংলাদেশের বোলার তাসকিন, শরিফুল, মিরাজ ও নাহিদ রানা
নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও প্রথম দিনে কোনো উইকেটের
দেখা পাননি।

আপনার মতামত লিখুন