কুষ্টিয়ার খোকসায় বৃষ্টির মধ্যে মাঠ থেকে কাটা ধানের আঁটি গোছাতে গিয়ে বজ্রপাতে হজরত আলী প্রামাণিক (৪৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলার জয়ন্তী হাজরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে এক শিশুসহ আরও ৩ জন আহত হয়েছেন।
নিহত হজরত আলী জয়ন্তী হাজরা গ্রামের মৃত আক্কেল আলী প্রামাণিকের ছেলে। আহত ব্যক্তিরা হলেন- শিমুলিয়া ইউনিয়নের কালিশংকরপুর গ্রামের ১০ বছরের শিশু অন্তরা, বিলজানি গ্রামের ডলি খাতুন (২০) ও হলুদবাড়িয়া গ্রামের সমা পারভিন (২৫)। তারা সবাই খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে আকাশে মেঘ দেখে জমিতে কেটে রাখা ধানের আঁটি স্তূপ করে সাজাতে গিয়েছিলেন হজরত আলী। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত শুরু হলে তিনি জমিতেই লুটিয়ে পড়েন। অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের বারান্দায় তখন হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বাবার মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে ছুটে আসে তার ২ শিশু সন্তান কুলসুম ও বাবন প্রামাণিক। বাবন স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। বাবার লাশের পাশে দুই শিশুর আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে হাসপাতালের পরিবেশ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শারমিন আকতার রিমা বলেন, বজ্রপাতে আহত কৃষককে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। আহত বাকি ৩ জনকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
জয়ন্তী হাজরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সকিব খান টিপু বলেন, হজরত আলী অত্যন্ত সহজ-সরল মানুষ ছিলেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
কুষ্টিয়ার খোকসায় বৃষ্টির মধ্যে মাঠ থেকে কাটা ধানের আঁটি গোছাতে গিয়ে বজ্রপাতে হজরত আলী প্রামাণিক (৪৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলার জয়ন্তী হাজরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে এক শিশুসহ আরও ৩ জন আহত হয়েছেন।
নিহত হজরত আলী জয়ন্তী হাজরা গ্রামের মৃত আক্কেল আলী প্রামাণিকের ছেলে। আহত ব্যক্তিরা হলেন- শিমুলিয়া ইউনিয়নের কালিশংকরপুর গ্রামের ১০ বছরের শিশু অন্তরা, বিলজানি গ্রামের ডলি খাতুন (২০) ও হলুদবাড়িয়া গ্রামের সমা পারভিন (২৫)। তারা সবাই খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে আকাশে মেঘ দেখে জমিতে কেটে রাখা ধানের আঁটি স্তূপ করে সাজাতে গিয়েছিলেন হজরত আলী। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত শুরু হলে তিনি জমিতেই লুটিয়ে পড়েন। অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের বারান্দায় তখন হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বাবার মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে ছুটে আসে তার ২ শিশু সন্তান কুলসুম ও বাবন প্রামাণিক। বাবন স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। বাবার লাশের পাশে দুই শিশুর আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে হাসপাতালের পরিবেশ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শারমিন আকতার রিমা বলেন, বজ্রপাতে আহত কৃষককে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। আহত বাকি ৩ জনকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
জয়ন্তী হাজরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সকিব খান টিপু বলেন, হজরত আলী অত্যন্ত সহজ-সরল মানুষ ছিলেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন