পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে বড়সড় পদক্ষেপের ঘোষণা করল নতুন বিজেপি সরকার। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন-এবার আর কোনও শিথিলতা নয়, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন -এর বাইরে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে সরাসরি গ্রেপ্তার ও সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার আগেই এই বিষয়ে নির্দেশিকা পাঠালেও আগের সরকার তা কার্যকর করেনি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরই সেই নীতিকে বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন। উত্তরবঙ্গ সফর শেষে নবান্নে ফিরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু জানান, রাজ্য ও দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-এর আধিকারিকরাও। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে ২৭ কিলোমিটার জমি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।
কারা পড়বেন আইনের আওতায়?
মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সিএএ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সাতটি সম্প্রদায়ের মানুষ নাগরিকত্বের সুরক্ষা পাবেন। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যারা রাজ্যে এসেছেন এবং আইনের আওতায় পড়েন, তাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।
কাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা?
যারা সিএএ-র আওতায় পড়েন না, তাদের ‘সম্পূর্ণ অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রাজ্য পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেবে। এরপর সীমান্তরক্ষী বাহিনী বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করবে।
‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ নীতি চালু
এই গোটা পদক্ষেপকে মুখ্যমন্ত্রী নাম দিয়েছেন-“ ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোট”। ইতিমধ্যেই সীমান্ত সংলগ্ন থানাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুত এই প্রক্রিয়া শুরু করতে। পাশাপাশি রাজ্যের ডিজি ও মুখ্যসচিবকেও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট
এই ঘোষণার মাধ্যমে নতুন সরকার একদিকে যেমন কঠোর প্রশাসনিক অবস্থান তুলে ধরছে, অন্যদিকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্ট করছে—আইন ভাঙলে আর রেহাই নয়।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে বড়সড় পদক্ষেপের ঘোষণা করল নতুন বিজেপি সরকার। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন-এবার আর কোনও শিথিলতা নয়, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন -এর বাইরে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে সরাসরি গ্রেপ্তার ও সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার আগেই এই বিষয়ে নির্দেশিকা পাঠালেও আগের সরকার তা কার্যকর করেনি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরই সেই নীতিকে বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন। উত্তরবঙ্গ সফর শেষে নবান্নে ফিরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু জানান, রাজ্য ও দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-এর আধিকারিকরাও। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে ২৭ কিলোমিটার জমি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।
কারা পড়বেন আইনের আওতায়?
মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সিএএ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সাতটি সম্প্রদায়ের মানুষ নাগরিকত্বের সুরক্ষা পাবেন। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যারা রাজ্যে এসেছেন এবং আইনের আওতায় পড়েন, তাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।
কাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা?
যারা সিএএ-র আওতায় পড়েন না, তাদের ‘সম্পূর্ণ অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রাজ্য পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেবে। এরপর সীমান্তরক্ষী বাহিনী বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করবে।
‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ নীতি চালু
এই গোটা পদক্ষেপকে মুখ্যমন্ত্রী নাম দিয়েছেন-“ ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোট”। ইতিমধ্যেই সীমান্ত সংলগ্ন থানাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুত এই প্রক্রিয়া শুরু করতে। পাশাপাশি রাজ্যের ডিজি ও মুখ্যসচিবকেও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট
এই ঘোষণার মাধ্যমে নতুন সরকার একদিকে যেমন কঠোর প্রশাসনিক অবস্থান তুলে ধরছে, অন্যদিকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্ট করছে—আইন ভাঙলে আর রেহাই নয়।

আপনার মতামত লিখুন