পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার স্বরূপকাঠি বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ডাকা নিয়ে বিরোধের জেরে যমুনা পরিবহনের এক কর্মচারীকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ৪ শ্রমিকের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী মো. আবদুস সালাম। অভিযুক্তরা হলেন- শামীম, সুমন, রাজু ও রাসেল। তারা এলাকায় শ্রমিক দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
লিখিত অভিযোগে আবদুস সালাম জানান, তিনি স্বরূপকাঠি বাসস্ট্যান্ডে যমুনা পরিবহনের কাউন্টারে কাজ করেন। গত ১৯ মে সকাল ৮ টার দিকে যাত্রী ডাকা নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি ও চড় মেরে আহত করেন। এ সময় তাকে বাসস্ট্যান্ড থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
যমুনা পরিবহনের পরিচালক নান্টু বলেন, ‘আমার সামনেই সালামকে মারধর করা হয়েছে। আমাকেও দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শামীম বলেন, মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি, শুধু কথা-কাটাকাটি হয়েছে। অন্যদিকে রাসেল মারধরের কথা স্বীকার করলেও বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, যাত্রী ডাকা নিয়ে মারধরের একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার স্বরূপকাঠি বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ডাকা নিয়ে বিরোধের জেরে যমুনা পরিবহনের এক কর্মচারীকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ৪ শ্রমিকের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী মো. আবদুস সালাম। অভিযুক্তরা হলেন- শামীম, সুমন, রাজু ও রাসেল। তারা এলাকায় শ্রমিক দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
লিখিত অভিযোগে আবদুস সালাম জানান, তিনি স্বরূপকাঠি বাসস্ট্যান্ডে যমুনা পরিবহনের কাউন্টারে কাজ করেন। গত ১৯ মে সকাল ৮ টার দিকে যাত্রী ডাকা নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি ও চড় মেরে আহত করেন। এ সময় তাকে বাসস্ট্যান্ড থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
যমুনা পরিবহনের পরিচালক নান্টু বলেন, ‘আমার সামনেই সালামকে মারধর করা হয়েছে। আমাকেও দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শামীম বলেন, মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি, শুধু কথা-কাটাকাটি হয়েছে। অন্যদিকে রাসেল মারধরের কথা স্বীকার করলেও বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, যাত্রী ডাকা নিয়ে মারধরের একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন