ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে একটি নির্জন বন থেকে অজ্ঞাতপরিচয় (৩০) এক যুবকের দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ মে) সকালে উপজেলার মশাখালী ইউনিয়নের দরিচারবাড়িয়া গ্রামের শাহ ভিটা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে শাহ ভিটা এলাকার জঙ্গলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গাছের সঙ্গে একটি মরদেহ বাঁধা থাকতে দেখে চিৎকার করেন স্থানীয় এক যুবক। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদহে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক ইউনিট তদন্ত ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহতের দুই হাত দড়ি দিয়ে একটি গাছের সঙ্গে বাঁধা ছিল। দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে ছিল। নিহতের পরনে ছিল ছাই রঙের প্যান্ট এবং বাঁ হাতে একটি ঘড়ি। মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্নও দেখা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা মিয়া বলেন, ‘এলাকাটি জঙ্গলে ঘেরা এবং জনবসতি না থাকায় অপরাধীরা খুনের জন্য এই জায়গা বেছে নিতে পারে। যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে এটি পেশাদার খুনিদের কাজ।’ এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। হত্যার কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে একটি নির্জন বন থেকে অজ্ঞাতপরিচয় (৩০) এক যুবকের দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ মে) সকালে উপজেলার মশাখালী ইউনিয়নের দরিচারবাড়িয়া গ্রামের শাহ ভিটা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে শাহ ভিটা এলাকার জঙ্গলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গাছের সঙ্গে একটি মরদেহ বাঁধা থাকতে দেখে চিৎকার করেন স্থানীয় এক যুবক। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদহে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক ইউনিট তদন্ত ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহতের দুই হাত দড়ি দিয়ে একটি গাছের সঙ্গে বাঁধা ছিল। দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে ছিল। নিহতের পরনে ছিল ছাই রঙের প্যান্ট এবং বাঁ হাতে একটি ঘড়ি। মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্নও দেখা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা মিয়া বলেন, ‘এলাকাটি জঙ্গলে ঘেরা এবং জনবসতি না থাকায় অপরাধীরা খুনের জন্য এই জায়গা বেছে নিতে পারে। যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে এটি পেশাদার খুনিদের কাজ।’ এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। হত্যার কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন