চালকের ‘ভুল’ এবং যাত্রীদের ‘সচেতনতার অভাবে’ টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, এ ঘটনা সরকারকে ব্যথিত করেছে।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে ঢাকার ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এদিন ভোরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে।
যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের সংযোগ সড়কের সরাতৈল এলাকায় রডবোঝাই একটি ট্রাক রাস্তার পাশে উল্টে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই ১৫ জন নিহত হন। আহত হন কয়েকজন। ট্রাকটিতে থাকা রডের ওপর ছিল ত্রিপল। আর তার ওপর যাত্রী বহন করা হচ্ছিল।
সংবাদ সম্মেলনে এই দুর্ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে তার মনে হয়েছে, এটা চালকের ভুলের কারণে হয়েছে। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় আহত দু-একজন যাত্রী বলেছেন, তারা ট্রাকটির চালককে সাবধান করেছিলেন। কিন্তু চালক তা আমলে নেননি। তিনি একটু তন্দ্রার মতো ছিলেন।
আইন অনুযায়ী, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন নিষিদ্ধ। এ দুর্ঘটনায় যাত্রীদের সচেতনতার অভাব ছিল মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, রডবোঝাই ট্রাকে যদি এভাবে যাত্রীরা উঠে যান ২৫-২৬ জন এবং অনাকাঙ্ক্ষিভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
মন্ত্রীর দাবি, এ ঘটনা সড়ক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে খুব একটা যুক্ত না। তিনি বলেন, “মনিটরিং আছে। হাইওয়ে পুলিশ দেখে। ভোররাত্রে একটা বোঝাই ট্রাকে যদি এ রকমভাবে যাত্রীরা অসচেতন হয়ে উঠে যান এবং তারপর যদি ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন, এ রকম জায়গায় তো এইটা দায়িত্ব আমাদের আছে। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করাটা বাস্তবিকভাবে কীভাবে সম্ভব হয়, সেটা বিবেচনার দাবি রাখে।”
শেখ রবিউল আলম বলেন,“যাত্রীদের আমি সব সময় বলছি, আমরা এখনো বলছি যে বোঝাই ট্রাক, ওপেন ট্রাক- যেটা যাত্রীবাহীর জন্য নির্ধারিত নয়, সেই জায়গায়, সেই সব যানে যাত্রীদের ওঠা থেকে বিরত থাকা উচিত।”

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
চালকের ‘ভুল’ এবং যাত্রীদের ‘সচেতনতার অভাবে’ টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, এ ঘটনা সরকারকে ব্যথিত করেছে।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে ঢাকার ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এদিন ভোরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে।
যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের সংযোগ সড়কের সরাতৈল এলাকায় রডবোঝাই একটি ট্রাক রাস্তার পাশে উল্টে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই ১৫ জন নিহত হন। আহত হন কয়েকজন। ট্রাকটিতে থাকা রডের ওপর ছিল ত্রিপল। আর তার ওপর যাত্রী বহন করা হচ্ছিল।
সংবাদ সম্মেলনে এই দুর্ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে তার মনে হয়েছে, এটা চালকের ভুলের কারণে হয়েছে। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় আহত দু-একজন যাত্রী বলেছেন, তারা ট্রাকটির চালককে সাবধান করেছিলেন। কিন্তু চালক তা আমলে নেননি। তিনি একটু তন্দ্রার মতো ছিলেন।
আইন অনুযায়ী, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন নিষিদ্ধ। এ দুর্ঘটনায় যাত্রীদের সচেতনতার অভাব ছিল মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, রডবোঝাই ট্রাকে যদি এভাবে যাত্রীরা উঠে যান ২৫-২৬ জন এবং অনাকাঙ্ক্ষিভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
মন্ত্রীর দাবি, এ ঘটনা সড়ক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে খুব একটা যুক্ত না। তিনি বলেন, “মনিটরিং আছে। হাইওয়ে পুলিশ দেখে। ভোররাত্রে একটা বোঝাই ট্রাকে যদি এ রকমভাবে যাত্রীরা অসচেতন হয়ে উঠে যান এবং তারপর যদি ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন, এ রকম জায়গায় তো এইটা দায়িত্ব আমাদের আছে। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করাটা বাস্তবিকভাবে কীভাবে সম্ভব হয়, সেটা বিবেচনার দাবি রাখে।”
শেখ রবিউল আলম বলেন,“যাত্রীদের আমি সব সময় বলছি, আমরা এখনো বলছি যে বোঝাই ট্রাক, ওপেন ট্রাক- যেটা যাত্রীবাহীর জন্য নির্ধারিত নয়, সেই জায়গায়, সেই সব যানে যাত্রীদের ওঠা থেকে বিরত থাকা উচিত।”

আপনার মতামত লিখুন