সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় কোরবানির পশুর হাট ইজারা নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যথাযথ প্রচার ছাড়াই গোপনীয়তা রক্ষা করে নামমাত্র মূল্যে চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এতে সরকার কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব হারিয়েছে। অন্যদিকে, ইজারাদাররা নির্ধারিত হারের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি খাজনা আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে লাউড়েরগড়, কলাগাঁও, একতাবাজার ও শান্তিপুরে চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে বড়ছড়া বাজারে আরেকটি অবৈধ হাট বসিয়ে খাজনা আদায় করছে একটি পক্ষ। সবগুলো হাটই ভারত সীমান্তঘেঁষা। অথচ গত ৩ মে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেছিলেন, সীমান্ত এলাকায় এবার কোনো পশুর হাট বসবে না।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় কোরবানির পশুর হাট ইজারা নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যথাযথ প্রচার ছাড়াই গোপনীয়তা রক্ষা করে নামমাত্র মূল্যে চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এতে সরকার কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব হারিয়েছে। অন্যদিকে, ইজারাদাররা নির্ধারিত হারের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি খাজনা আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে লাউড়েরগড়, কলাগাঁও, একতাবাজার ও শান্তিপুরে চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে বড়ছড়া বাজারে আরেকটি অবৈধ হাট বসিয়ে খাজনা আদায় করছে একটি পক্ষ। সবগুলো হাটই ভারত সীমান্তঘেঁষা। অথচ গত ৩ মে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেছিলেন, সীমান্ত এলাকায় এবার কোনো পশুর হাট বসবে না।

আপনার মতামত লিখুন