নাটোরের বড়াইগ্রামে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ছাত্রী বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তার হওয়া বাবা ও ছেলেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার গোয়ালপাড়া ব্রিজ এলাকার শামসুল আলম ও তার ছেলে আরিফ। গতকাল রোববার রাতে ওই ছাত্রীর বড় ভাই বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করার পর পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোয়ালপাড়া এলাকার ওই দরিদ্র শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করেন প্রতিবেশী শামসুল আলম। পরবর্তীতে শামসুলের ছেলে আরিফও তাকে ধর্ষণ করেন। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বর্তমানে সে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে চিকিৎসকের বরাতে জানিয়েছে পরিবার।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বিষয়টি ধামাচাপা দিতে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করে। তবে শেষ পর্যন্ত পরিবারটি আইনি প্রতিকার চেয়ে থানায় মামলা করে।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুস সালাম বলেন, ‘ভুক্তভোগী ছাত্রীর ভাইয়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আরও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
আপনার মতামত লিখুন