তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে আবারও বড়সড় পালাবদলের ইঙ্গিত মিলল, যখন এআইএডিএমকে-এর তিনজন বিধায়ক- মারাগাথাম কুমারাভেল, সত্যভামা ও জয়কুমার- বিধানসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়-এর নেতৃত্বাধীন তামিলগা ভেতত্রী কাজহাগাম-এ যোগ দেন, যা রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে স্পষ্ট কনট্রাস্ট তৈরি করেছে।
একদিকে এআইএডিএমকে ক্রমশ ভাঙনের মুখে পড়ছে, যেখানে দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, নেতৃত্বের দুর্বলতা এবং বিধায়কদের অসন্তোষ প্রকাশ্যে চলে এসেছে; অন্যদিকে টিভিকে ধীরে ধীরে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে তুলছে, প্রথমে জোটের সমর্থনে সরকার গঠন করলেও এখন বিরোধী শিবির ভেঙে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর পথে এগোচ্ছে।
ফ্লোর টেস্টের সময়ই এই ভাঙনের আভাস মিলেছিল, যখন এআইএডিএমকের একাংশ সরকারকে সমর্থন করে কার্যত দলের ঐক্যে বড় ফাটল ধরায়, আর সেই প্রবণতাই এখন স্পষ্ট রূপ নিয়েছে এই ইস্তফার ঘটনায়।
সংখ্যার নিরিখে এআইএডিএমকে-র আসন কমে যাওয়া শুধু প্রতীকী নয়, বরং রাজনৈতিকভাবে তাদের দুর্বলতার প্রমাণ, যেখানে টিভিকে জোট ইতিমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছে।
সামনে যে উপনির্বাচনগুলি হতে চলেছে, সেগুলি এই ক্ষমতার লড়াইকে আরও স্পষ্ট করে তুলবে—টিভিকে যদি সেখানে ভালো ফল করে, তাহলে তাদের আধিপত্য আরও পোক্ত হবে, আর এআইএ ডিএমকের (এআইএডিএমকে) জন্য সেটি হতে পারে পুনরুদ্ধারের শেষ সুযোগ।
সব মিলিয়ে, এই ঘটনাটি শুধু দলবদল নয়, বরং তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ক্ষমতার কেন্দ্র বদলের এক স্পষ্ট ইঙ্গিত, যেখানে একটি পুরনো শক্তি ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে এবং একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি দ্রুত নিজেদের জায়গা দখল করছে।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে আবারও বড়সড় পালাবদলের ইঙ্গিত মিলল, যখন এআইএডিএমকে-এর তিনজন বিধায়ক- মারাগাথাম কুমারাভেল, সত্যভামা ও জয়কুমার- বিধানসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়-এর নেতৃত্বাধীন তামিলগা ভেতত্রী কাজহাগাম-এ যোগ দেন, যা রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে স্পষ্ট কনট্রাস্ট তৈরি করেছে।
একদিকে এআইএডিএমকে ক্রমশ ভাঙনের মুখে পড়ছে, যেখানে দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, নেতৃত্বের দুর্বলতা এবং বিধায়কদের অসন্তোষ প্রকাশ্যে চলে এসেছে; অন্যদিকে টিভিকে ধীরে ধীরে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে তুলছে, প্রথমে জোটের সমর্থনে সরকার গঠন করলেও এখন বিরোধী শিবির ভেঙে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর পথে এগোচ্ছে।
ফ্লোর টেস্টের সময়ই এই ভাঙনের আভাস মিলেছিল, যখন এআইএডিএমকের একাংশ সরকারকে সমর্থন করে কার্যত দলের ঐক্যে বড় ফাটল ধরায়, আর সেই প্রবণতাই এখন স্পষ্ট রূপ নিয়েছে এই ইস্তফার ঘটনায়।
সংখ্যার নিরিখে এআইএডিএমকে-র আসন কমে যাওয়া শুধু প্রতীকী নয়, বরং রাজনৈতিকভাবে তাদের দুর্বলতার প্রমাণ, যেখানে টিভিকে জোট ইতিমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছে।
সামনে যে উপনির্বাচনগুলি হতে চলেছে, সেগুলি এই ক্ষমতার লড়াইকে আরও স্পষ্ট করে তুলবে—টিভিকে যদি সেখানে ভালো ফল করে, তাহলে তাদের আধিপত্য আরও পোক্ত হবে, আর এআইএ ডিএমকের (এআইএডিএমকে) জন্য সেটি হতে পারে পুনরুদ্ধারের শেষ সুযোগ।
সব মিলিয়ে, এই ঘটনাটি শুধু দলবদল নয়, বরং তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ক্ষমতার কেন্দ্র বদলের এক স্পষ্ট ইঙ্গিত, যেখানে একটি পুরনো শক্তি ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে এবং একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি দ্রুত নিজেদের জায়গা দখল করছে।

আপনার মতামত লিখুন