সংবাদ

রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দিলো জার্মানি


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ১২:৪১ পিএম

রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দিলো জার্মানি

এবার রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দিলো জার্মানি। জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা।

জার্মানির সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘ভেল্ট আম জনটাগ' জানিয়েছে, গত বছর কমপক্ষে ৩ লাখ ৯ হাজার ৮৫২ জন জার্মান পাসপোর্ট পেয়েছেন। দেশটির ইতিহাসে এই প্রথম এক বছরে এত সংখ্যক অভিবাসী নাগরিকত্ব পেয়েছেন।

এর আগে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি জার্মানি নাগরিকত্ব আইনে বড় পরিবর্তন আনে। এর আগে জার্মান নাগরিকত্ব পেতে হলে অন্য দেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে দিতে হতো এবং কমপক্ষে আট বছর জার্মানিতে বসবাস করতে হতো। নতুন আইনে দ্বৈত নাগরিকত্বের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং বাসস্থানের ন্যূনতম মেয়াদ পাঁচ বছরে নামিয়ে আনা হয়েছে। তার পর থেকেই নাগরিকত্বের আবেদন দ্রুত বাড়তে শুরু করে।

২০২৪ সালে নাগরিকত্ব পাওয়া অভিবাসীদের সংখ্যা আগের বছর ২০২৩ সালের তুলনায় ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০২৫ সালে সেই বৃদ্ধির হার কিছুটা কমে ৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

২০২৪ সালে যারা নাগরিকত্ব পেয়েছেন, তাদের মধ্যে ২৮ শতাংশ ছিলেন সিরিয়ার নাগরিক। এরপরের স্থানে ছিলেন তুরস্কের নাগরিকরা। তবে এই পরিসংখ্যান জার্মানির ১৬টি রাজ্যের মধ্যে ১৪টির। পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মেকলেনবুর্গ-ফোরপমার্ন এবং সাকসেন-আনহাল্টের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি৷ কিছু ক্ষেত্রে প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসাব করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পত্রিকাটি।

আগামী দিনে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের নাগরিকত্বের আবেদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২০২২ সালের শুরুতে রাশিয়ার আক্রমণের পর যে ইউক্রেনীয়রা জার্মানিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই ২০২৭ সালের মধ্যে পাঁচ বছরের বাসস্থানের শর্ত পূরণ করবেন। উত্তরের অউরিখ অঞ্চলের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের বসন্তের মধ্যে অনেক ইউক্রেনীয় নাগরিকত্বের আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন এবং আইনি মর্যাদা নিশ্চিত করতে তারা এই সুযোগ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইউক্রেনীয় শরণার্থীরা জার্মানিতে আসার পর থেকেই কাজের অনুমতি এবং পূর্ণ বাসস্থানের মর্যাদা পেয়েছিলেন, যা ২০১৫-১৬ সালে আসা সিরীয়শরণার্থীদের ক্ষেত্রে শুরুর দিকে ছিল না। ২০২৭ সালের মার্চে ইউক্রেনীয়দের সুরক্ষার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অনেকে নাগরিকত্বের পথ বেছে নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬


রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দিলো জার্মানি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬

featured Image

এবার রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দিলো জার্মানি। জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা।

জার্মানির সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘ভেল্ট আম জনটাগ' জানিয়েছে, গত বছর কমপক্ষে ৩ লাখ ৯ হাজার ৮৫২ জন জার্মান পাসপোর্ট পেয়েছেন। দেশটির ইতিহাসে এই প্রথম এক বছরে এত সংখ্যক অভিবাসী নাগরিকত্ব পেয়েছেন।

এর আগে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি জার্মানি নাগরিকত্ব আইনে বড় পরিবর্তন আনে। এর আগে জার্মান নাগরিকত্ব পেতে হলে অন্য দেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে দিতে হতো এবং কমপক্ষে আট বছর জার্মানিতে বসবাস করতে হতো। নতুন আইনে দ্বৈত নাগরিকত্বের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং বাসস্থানের ন্যূনতম মেয়াদ পাঁচ বছরে নামিয়ে আনা হয়েছে। তার পর থেকেই নাগরিকত্বের আবেদন দ্রুত বাড়তে শুরু করে।

২০২৪ সালে নাগরিকত্ব পাওয়া অভিবাসীদের সংখ্যা আগের বছর ২০২৩ সালের তুলনায় ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০২৫ সালে সেই বৃদ্ধির হার কিছুটা কমে ৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

২০২৪ সালে যারা নাগরিকত্ব পেয়েছেন, তাদের মধ্যে ২৮ শতাংশ ছিলেন সিরিয়ার নাগরিক। এরপরের স্থানে ছিলেন তুরস্কের নাগরিকরা। তবে এই পরিসংখ্যান জার্মানির ১৬টি রাজ্যের মধ্যে ১৪টির। পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মেকলেনবুর্গ-ফোরপমার্ন এবং সাকসেন-আনহাল্টের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি৷ কিছু ক্ষেত্রে প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসাব করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পত্রিকাটি।

আগামী দিনে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের নাগরিকত্বের আবেদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২০২২ সালের শুরুতে রাশিয়ার আক্রমণের পর যে ইউক্রেনীয়রা জার্মানিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই ২০২৭ সালের মধ্যে পাঁচ বছরের বাসস্থানের শর্ত পূরণ করবেন। উত্তরের অউরিখ অঞ্চলের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের বসন্তের মধ্যে অনেক ইউক্রেনীয় নাগরিকত্বের আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন এবং আইনি মর্যাদা নিশ্চিত করতে তারা এই সুযোগ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইউক্রেনীয় শরণার্থীরা জার্মানিতে আসার পর থেকেই কাজের অনুমতি এবং পূর্ণ বাসস্থানের মর্যাদা পেয়েছিলেন, যা ২০১৫-১৬ সালে আসা সিরীয়শরণার্থীদের ক্ষেত্রে শুরুর দিকে ছিল না। ২০২৭ সালের মার্চে ইউক্রেনীয়দের সুরক্ষার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অনেকে নাগরিকত্বের পথ বেছে নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত