ঈদুল আজহার ছুটিতে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতু সংলগ্ন মাওয়া ও শিমুলিয়া এলাকায় পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। পদ্মা সেতু দেখা, নদীর পাড়ে সময় কাটানো আর ইলিশের স্বাদ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ এখানে ছুটে আসছেন। তবে পর্যটকদের এই ভিড়ের মধ্যে যানজট, চুরি-ছিনতাই ও অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত, শিমুলিয়া ঘাট ও নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি। গোধূলির আলোয় নদী ও সেতুর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। অনেকে পরিবার নিয়ে নৌভ্রমণ করছেন, আবার কেউ প্রিয় মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত।
পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপের কারণে মাওয়া চৌরাস্তা থেকে পুরাতন ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে মাওয়া ও শিমুলিয়া এলাকায় বেশ কিছু হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। ঈদের ছুটিতে এসব স্থানে ভিড় কয়েক গুণ বেড়েছে। তবে পর্যটকদের অভিযোগ, এই সুযোগে একশ্রেণির অসাধু চক্র চুরি ও ছিনতাইয়ে মেতেছে। অনেকে কেনাকাটা ও খাবারের অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগও করেছেন।
রাজধানীর মিরপুর থেকে ঘুরতে আসা রেজাউল করিম ও শিউলী আক্তার দম্পতি জানান, মোটরসাইকেল রেখে নদীর পাড়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন তাদের দুটি হেলমেট চুরি হয়ে গেছে। ইয়াসিন হাওলাদার নামের আরেক পর্যটক জানান, শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় ভিড়ের মধ্যে তার মোবাইল ফোনটি চুরি হয়েছে। অন্যদিকে, শান্তা আক্তার নামে এক দর্শনার্থী অভিযোগ করেন, রেস্তোরাঁগুলোতে খাবারের দাম স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি রাখা হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়লেও নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় গত বছরের তুলনায় এবার ভ্রমণকারীর সংখ্যা কিছুটা কম। অসাধু ব্যবসায়ী ও চোর-ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম্য না কমলে পর্যটন শিল্প ক্ষতির মুখে পড়বে বলে তারা মনে করেন।
ট্যুরিস্ট পুলিশ জানায়, ঈদ উপলক্ষে এই এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, সেনাবাহিনী, র্যাব, হাইওয়ে পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
ঈদুল আজহার ছুটিতে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতু সংলগ্ন মাওয়া ও শিমুলিয়া এলাকায় পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। পদ্মা সেতু দেখা, নদীর পাড়ে সময় কাটানো আর ইলিশের স্বাদ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ এখানে ছুটে আসছেন। তবে পর্যটকদের এই ভিড়ের মধ্যে যানজট, চুরি-ছিনতাই ও অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত, শিমুলিয়া ঘাট ও নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি। গোধূলির আলোয় নদী ও সেতুর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। অনেকে পরিবার নিয়ে নৌভ্রমণ করছেন, আবার কেউ প্রিয় মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত।
পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপের কারণে মাওয়া চৌরাস্তা থেকে পুরাতন ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে মাওয়া ও শিমুলিয়া এলাকায় বেশ কিছু হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। ঈদের ছুটিতে এসব স্থানে ভিড় কয়েক গুণ বেড়েছে। তবে পর্যটকদের অভিযোগ, এই সুযোগে একশ্রেণির অসাধু চক্র চুরি ও ছিনতাইয়ে মেতেছে। অনেকে কেনাকাটা ও খাবারের অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগও করেছেন।
রাজধানীর মিরপুর থেকে ঘুরতে আসা রেজাউল করিম ও শিউলী আক্তার দম্পতি জানান, মোটরসাইকেল রেখে নদীর পাড়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন তাদের দুটি হেলমেট চুরি হয়ে গেছে। ইয়াসিন হাওলাদার নামের আরেক পর্যটক জানান, শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় ভিড়ের মধ্যে তার মোবাইল ফোনটি চুরি হয়েছে। অন্যদিকে, শান্তা আক্তার নামে এক দর্শনার্থী অভিযোগ করেন, রেস্তোরাঁগুলোতে খাবারের দাম স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি রাখা হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়লেও নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় গত বছরের তুলনায় এবার ভ্রমণকারীর সংখ্যা কিছুটা কম। অসাধু ব্যবসায়ী ও চোর-ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম্য না কমলে পর্যটন শিল্প ক্ষতির মুখে পড়বে বলে তারা মনে করেন।
ট্যুরিস্ট পুলিশ জানায়, ঈদ উপলক্ষে এই এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, সেনাবাহিনী, র্যাব, হাইওয়ে পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন