দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ নেটওয়ার্ক ‘সিওহান’ (SEAOHUN) আয়োজিত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের দল ‘ওয়ান হেলথ ভিলেজ’। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত এই দলটি ‘ওয়ান হেলথ ক্যাম্পাস-টু-কমিউনিটি চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় এ সাফল্য অর্জন করে।
বিজয়ী দলের নেতৃত্ব দেন পবিপ্রবির ডিভিএম বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাইমুন হাসান। দলের অধিকাংশ সদস্যই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাদের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম রুমি।
বিজয়ী প্রকল্প ‘ওয়ান হেলথ ভিলেজ’ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ও মাধবপাশা এলাকায় কাজ করছে। প্রকল্পটির মাধ্যমে ওয়ান হেলথ শিক্ষা, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) সচেতনতা, জলাতঙ্ক ও এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ বিভিন্ন জুনোটিক রোগ প্রতিরোধ এবং পরিবেশগত স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ দলটি দুই হাজার মার্কিন ডলার অনুদান, আন্তর্জাতিক মেন্টরশিপ এবং ২০২৬ সালে আঞ্চলিক নলেজ-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে তাদের প্রকল্প উপস্থাপনের সুযোগ পাবে।
আয়োজকেরা জানান, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ওয়ান হেলথ শিক্ষার প্রসারে এই প্রকল্পটি একটি টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রয়োগযোগ্য মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ নেটওয়ার্ক ‘সিওহান’ (SEAOHUN) আয়োজিত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের দল ‘ওয়ান হেলথ ভিলেজ’। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত এই দলটি ‘ওয়ান হেলথ ক্যাম্পাস-টু-কমিউনিটি চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় এ সাফল্য অর্জন করে।
বিজয়ী দলের নেতৃত্ব দেন পবিপ্রবির ডিভিএম বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাইমুন হাসান। দলের অধিকাংশ সদস্যই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাদের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম রুমি।
বিজয়ী প্রকল্প ‘ওয়ান হেলথ ভিলেজ’ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ও মাধবপাশা এলাকায় কাজ করছে। প্রকল্পটির মাধ্যমে ওয়ান হেলথ শিক্ষা, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) সচেতনতা, জলাতঙ্ক ও এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ বিভিন্ন জুনোটিক রোগ প্রতিরোধ এবং পরিবেশগত স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ দলটি দুই হাজার মার্কিন ডলার অনুদান, আন্তর্জাতিক মেন্টরশিপ এবং ২০২৬ সালে আঞ্চলিক নলেজ-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে তাদের প্রকল্প উপস্থাপনের সুযোগ পাবে।
আয়োজকেরা জানান, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ওয়ান হেলথ শিক্ষার প্রসারে এই প্রকল্পটি একটি টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রয়োগযোগ্য মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন