সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের ৬ জনকে হত্যার পর বন্দুকধারীর আত্মহত্যা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২ জুন ২০২৬, ০৯:৩৫ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের ৬ জনকে হত্যার পর বন্দুকধারীর আত্মহত্যা

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের মাসকাটিন শহরে এক ভয়াবহ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক কলহের জেরে নিজের পরিবারের ছয় সদস্যকে গুলি করে হত্যার পর বন্দুকধারী নিজে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।


​পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার (১ জুন) দুপুর ১২টা ১২ মিনিটে একটি বাড়ি থেকে প্রথম পুলিশের কাছে গুলিবর্ষণের ফোন আসে।

​ফোন পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সেখানে একই পরিবারের চারজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারী সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

​ঘটনার পর তদন্তে নেমে পুলিশ আরও দুটি স্থানে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে আরও দুজন পুরুষের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একজন অন্য একটি বাড়িতে এবং দ্বিতীয়জন কাছের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মৃত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, নিহত ছয়জনই হামলাকারীর পরিবারের সদস্য ছিলেন।


​পুলিশ সন্দেহভাজন ওই হামলাকারীকে ৫২ বছর বয়সী রায়ান উইলস ম্যাকফারল্যান্ড হিসেবে শনাক্ত করেছে। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সে মিসিসিপি নদীর তীরবর্তী একটি পথ (রিভারফ্রন্ট ট্রেইল) দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল। পুলিশ তাকে ধাওয়া করে একটি পথচারী সেতুর কাছে ঘিরে ফেলে। এ সময় পুলিশের মুখোমুখি হয়ে রায়ান নিজের বন্দুক দিয়ে নিজেকেই গুলি করে আত্মহত্যা করেন।


​পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামলাকারী রায়ানের আগে থেকেই অপরাধের রেকর্ড ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণের জন্য আর কোনো নিরাপত্তার ঝুঁকি নেই। নিহতদের নাম ও বয়স এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি প্রশাসন। পুরো ঘটনার নেপথ্য কারণ উদঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের ৬ জনকে হত্যার পর বন্দুকধারীর আত্মহত্যা

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের মাসকাটিন শহরে এক ভয়াবহ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক কলহের জেরে নিজের পরিবারের ছয় সদস্যকে গুলি করে হত্যার পর বন্দুকধারী নিজে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।


​পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার (১ জুন) দুপুর ১২টা ১২ মিনিটে একটি বাড়ি থেকে প্রথম পুলিশের কাছে গুলিবর্ষণের ফোন আসে।

​ফোন পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সেখানে একই পরিবারের চারজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারী সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

​ঘটনার পর তদন্তে নেমে পুলিশ আরও দুটি স্থানে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে আরও দুজন পুরুষের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একজন অন্য একটি বাড়িতে এবং দ্বিতীয়জন কাছের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মৃত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, নিহত ছয়জনই হামলাকারীর পরিবারের সদস্য ছিলেন।


​পুলিশ সন্দেহভাজন ওই হামলাকারীকে ৫২ বছর বয়সী রায়ান উইলস ম্যাকফারল্যান্ড হিসেবে শনাক্ত করেছে। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সে মিসিসিপি নদীর তীরবর্তী একটি পথ (রিভারফ্রন্ট ট্রেইল) দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল। পুলিশ তাকে ধাওয়া করে একটি পথচারী সেতুর কাছে ঘিরে ফেলে। এ সময় পুলিশের মুখোমুখি হয়ে রায়ান নিজের বন্দুক দিয়ে নিজেকেই গুলি করে আত্মহত্যা করেন।


​পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামলাকারী রায়ানের আগে থেকেই অপরাধের রেকর্ড ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণের জন্য আর কোনো নিরাপত্তার ঝুঁকি নেই। নিহতদের নাম ও বয়স এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি প্রশাসন। পুরো ঘটনার নেপথ্য কারণ উদঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত