রাজধানীর সড়কে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বড় সফলতা এসেছে। আর এই সফলতার ধারাবাহিকতায় এবার ঢাকার তীব্র শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
আজ শুক্রবার
সকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক
সমাবেশে যোগ দিয়ে এই কথা জানান ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
সমাবেশে ডিএনসিসি
প্রশাসক বলেন, "আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি, তবে যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন
তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। আমরা বলছি না যে একদিনেই সবকিছু বদলে ফেলতে পারব, আমরা তাদের
(পরিবেশবাদী সংগঠন ও বিশেষজ্ঞ) মাধ্যমেই এটি বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করব।"
শফিকুল ইসলাম
খান সমাবেশে বলেন, ‘আজকের পর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা সম্পূর্ণরূপে
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। এই এলাকায় হর্ন বাজানো বা শব্দদূষণের কোনো আইন লঙ্ঘন করা
হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সংশ্লিষ্টরা
আশা করছেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মতো শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও যদি এআই বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা
সফলভাবে ব্যবহার করা যায়, তবে ঢাকার নাগরিকদের জন্য তা হবে এক বড় স্বস্তির খবর।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
রাজধানীর সড়কে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বড় সফলতা এসেছে। আর এই সফলতার ধারাবাহিকতায় এবার ঢাকার তীব্র শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
আজ শুক্রবার
সকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক
সমাবেশে যোগ দিয়ে এই কথা জানান ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
সমাবেশে ডিএনসিসি
প্রশাসক বলেন, "আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি, তবে যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন
তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। আমরা বলছি না যে একদিনেই সবকিছু বদলে ফেলতে পারব, আমরা তাদের
(পরিবেশবাদী সংগঠন ও বিশেষজ্ঞ) মাধ্যমেই এটি বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করব।"
শফিকুল ইসলাম
খান সমাবেশে বলেন, ‘আজকের পর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা সম্পূর্ণরূপে
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। এই এলাকায় হর্ন বাজানো বা শব্দদূষণের কোনো আইন লঙ্ঘন করা
হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সংশ্লিষ্টরা
আশা করছেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মতো শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও যদি এআই বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা
সফলভাবে ব্যবহার করা যায়, তবে ঢাকার নাগরিকদের জন্য তা হবে এক বড় স্বস্তির খবর।

আপনার মতামত লিখুন