সংবাদ

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের উজ্জ্বল নক্ষত্র


বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৬ জুন ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের উজ্জ্বল নক্ষত্র

শবনম বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা। ষাট ও সত্তরের দশকে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও পরবর্তীকালে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

রোমান্টিক ও সামাজিক ঘরানার অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী আসন গড়ে নেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে চকোরী, চাঁদ অউর চাঁদনী, দূর দেশ, দিল দিয়া দর্দ লিয়া এবং আঞ্জুমান। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মতে, দুই ভাষার চলচ্চিত্রে সমান জনপ্রিয়তা, দীর্ঘ কর্মজীবন এবং অসামান্য অবদানের কারণেই তিনি এই সম্মাননার জন্য অত্যন্ত যোগ্য একজন শিল্পী।

সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে সেরা চিত্রনাট্য বিভাগেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে রক্তজবা সিনেমার জন্য নিয়ামুল মুক্তার নাম ঘোষণা করা হলেও পরে অভিযোগ ওঠে যে তিনি চিত্রনাট্য রচনায় যুক্ত ছিলেন না।

পুনর্মূল্যায়নের পর এবার একই চলচ্চিত্রের জন্য তাসনীমুল হাসান-কে সেরা চিত্রনাট্যকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

আগের প্রজ্ঞাপনে আজীবন সম্মাননার তালিকায় প্রয়াত নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং চিত্রগ্রাহক-পরিচালক আবদুল লতিফ বাচ্চু-এর নাম ছিল। তবে নীতিমালায় জীবিত ব্যক্তিদের আজীবন সম্মাননা দেওয়ার বিধান থাকায় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে সংশোধিত তালিকায় শবনমের পাশাপাশি চলচ্চিত্র সম্পাদক ফজলে হক-এর নাম আজীবন সম্মাননার জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তারেক মাসুদ ও আবদুল লতিফ বাচ্চুকে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬


বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের উজ্জ্বল নক্ষত্র

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

শবনম বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা। ষাট ও সত্তরের দশকে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও পরবর্তীকালে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

রোমান্টিক ও সামাজিক ঘরানার অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী আসন গড়ে নেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে চকোরী, চাঁদ অউর চাঁদনী, দূর দেশ, দিল দিয়া দর্দ লিয়া এবং আঞ্জুমান। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মতে, দুই ভাষার চলচ্চিত্রে সমান জনপ্রিয়তা, দীর্ঘ কর্মজীবন এবং অসামান্য অবদানের কারণেই তিনি এই সম্মাননার জন্য অত্যন্ত যোগ্য একজন শিল্পী।

সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে সেরা চিত্রনাট্য বিভাগেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে রক্তজবা সিনেমার জন্য নিয়ামুল মুক্তার নাম ঘোষণা করা হলেও পরে অভিযোগ ওঠে যে তিনি চিত্রনাট্য রচনায় যুক্ত ছিলেন না।

পুনর্মূল্যায়নের পর এবার একই চলচ্চিত্রের জন্য তাসনীমুল হাসান-কে সেরা চিত্রনাট্যকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

আগের প্রজ্ঞাপনে আজীবন সম্মাননার তালিকায় প্রয়াত নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং চিত্রগ্রাহক-পরিচালক আবদুল লতিফ বাচ্চু-এর নাম ছিল। তবে নীতিমালায় জীবিত ব্যক্তিদের আজীবন সম্মাননা দেওয়ার বিধান থাকায় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে সংশোধিত তালিকায় শবনমের পাশাপাশি চলচ্চিত্র সম্পাদক ফজলে হক-এর নাম আজীবন সম্মাননার জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তারেক মাসুদ ও আবদুল লতিফ বাচ্চুকে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত