সংবাদ

জলাবদ্ধতায় ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ অনিশ্চিত


প্রতিনিধি, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
প্রতিনিধি, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
প্রকাশ: ৭ জুন ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম

জলাবদ্ধতায় ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ অনিশ্চিত
পান্থাপাড়া বিলে জমে থাকা পানির কারণে প্রস্তুত করা যাচ্ছে না জমি। ছবি : সংবাদ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ও চণ্ডীপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী পান্থাপাড়া বিলে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় চলতি আমন মৌসুমে প্রায় ৫০০ হেক্টর কৃষিজমিতে চাষাবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সময়মতো জমি প্রস্তুত করতে না পেরে চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন শত শত কৃষক।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমে বিলের জমিতে জমে থাকা পানি নামার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবছর এই বিলে ব্যাপক পরিসরে আমন ধানের আবাদ হলেও এবার অধিকাংশ জমি অনাবাদি থেকে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে বারবার দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী কৃষকেরা জানান, তারা কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন। কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে আমন মৌসুমের সময় পার হয়ে গেলেও জমিগুলো এখনো পানির নিচে।

এ বিষয়ে কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “আমি আন্তরিকভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছি। ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে বিলের পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় এক জমির মালিকের বাধার কারণে সেই কাজ সফল হয়নি। আমরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা না হলে শুধু কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না, পুরো অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত হস্তক্ষেপ করে বাধা অপসারণ করা এবং পানি বের হওয়ার পথ তৈরি করে দেওয়া।

এলাকাবাসীর দাবি, উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ দ্রুত ব্যবস্থা নিলে কৃষকেরা সময়মতো আমন চাষ শুরু করতে পারবেন এবং সম্ভাব্য বড় ধরনের লোকসান থেকে রক্ষা পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬


জলাবদ্ধতায় ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ অনিশ্চিত

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ও চণ্ডীপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী পান্থাপাড়া বিলে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় চলতি আমন মৌসুমে প্রায় ৫০০ হেক্টর কৃষিজমিতে চাষাবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সময়মতো জমি প্রস্তুত করতে না পেরে চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন শত শত কৃষক।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমে বিলের জমিতে জমে থাকা পানি নামার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবছর এই বিলে ব্যাপক পরিসরে আমন ধানের আবাদ হলেও এবার অধিকাংশ জমি অনাবাদি থেকে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে বারবার দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী কৃষকেরা জানান, তারা কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন। কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে আমন মৌসুমের সময় পার হয়ে গেলেও জমিগুলো এখনো পানির নিচে।

এ বিষয়ে কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “আমি আন্তরিকভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছি। ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে বিলের পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় এক জমির মালিকের বাধার কারণে সেই কাজ সফল হয়নি। আমরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা না হলে শুধু কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না, পুরো অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত হস্তক্ষেপ করে বাধা অপসারণ করা এবং পানি বের হওয়ার পথ তৈরি করে দেওয়া।

এলাকাবাসীর দাবি, উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ দ্রুত ব্যবস্থা নিলে কৃষকেরা সময়মতো আমন চাষ শুরু করতে পারবেন এবং সম্ভাব্য বড় ধরনের লোকসান থেকে রক্ষা পাবেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত