ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়, তবে পরিমাণের দিকে সতর্ক থাকা জরুরি। আমে থাকা প্রাকৃতিক চিনি রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়াতে পারলেও এর মধ্যে বিদ্যমান ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সুগার নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতেও সহায়তা করে।
বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, একজন ডায়াবেটিস রোগী
প্রতিদিন মাঝারি আকারের একটি ছোট আম অথবা ৫০ থেকে ৬০ গ্রাম পাকা আম খেতে পারেন।
খাওয়ার
উপযুক্ত সময় ভরা পেটে বা ভারী
খাবারের পরপরই আম খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের
মধ্যবর্তী সময়টি আম খাওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
সঙ্গে
কী খাবেন আম খাওয়ার সময় রক্তে
গ্লুকোজ দ্রুত বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে পাশাপাশি কিছু কাঠবাদাম, শসা বা স্প্রাউট
খাওয়া উপকারী।
জুস
এড়িয়ে চলুন পাকা আম দিয়ে
জুস, পুডিং বা ডেজার্ট তৈরি করে না খেয়ে সরাসরি টুকরো করে ফল হিসেবে খাওয়াই বেশি
স্বাস্থ্যকর।
শর্করা
সমন্বয় করুন যেদিন আম খাবেন
সেদিন সকালের নাশতা বা দুপুরের খাবারে ভাত কিংবা রুটির পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে রাখা
উচিত।
বিশেষ
দ্রষ্টব্য প্রত্যেকের শারীরিক
অবস্থা ও রক্তে সুগারের মাত্রা ভিন্ন হওয়ায় আম খাওয়ার নিরাপদ পরিমাণ সম্পর্কে
সঠিক ধারণা পেতে অবশ্যই নিজের চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ
নেওয়া উচিত।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়, তবে পরিমাণের দিকে সতর্ক থাকা জরুরি। আমে থাকা প্রাকৃতিক চিনি রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়াতে পারলেও এর মধ্যে বিদ্যমান ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সুগার নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতেও সহায়তা করে।
বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, একজন ডায়াবেটিস রোগী
প্রতিদিন মাঝারি আকারের একটি ছোট আম অথবা ৫০ থেকে ৬০ গ্রাম পাকা আম খেতে পারেন।
খাওয়ার
উপযুক্ত সময় ভরা পেটে বা ভারী
খাবারের পরপরই আম খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের
মধ্যবর্তী সময়টি আম খাওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
সঙ্গে
কী খাবেন আম খাওয়ার সময় রক্তে
গ্লুকোজ দ্রুত বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে পাশাপাশি কিছু কাঠবাদাম, শসা বা স্প্রাউট
খাওয়া উপকারী।
জুস
এড়িয়ে চলুন পাকা আম দিয়ে
জুস, পুডিং বা ডেজার্ট তৈরি করে না খেয়ে সরাসরি টুকরো করে ফল হিসেবে খাওয়াই বেশি
স্বাস্থ্যকর।
শর্করা
সমন্বয় করুন যেদিন আম খাবেন
সেদিন সকালের নাশতা বা দুপুরের খাবারে ভাত কিংবা রুটির পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে রাখা
উচিত।
বিশেষ
দ্রষ্টব্য প্রত্যেকের শারীরিক
অবস্থা ও রক্তে সুগারের মাত্রা ভিন্ন হওয়ায় আম খাওয়ার নিরাপদ পরিমাণ সম্পর্কে
সঠিক ধারণা পেতে অবশ্যই নিজের চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ
নেওয়া উচিত।

আপনার মতামত লিখুন