একের পর এক ভিন্নধর্মী কাজ দিয়ে দর্শকদের চমকে দিচ্ছেন অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। ‘হাওয়া’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় আলোড়ন তোলা এই অভিনেত্রী সম্প্রতি ঈদুল ফিতরে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রেশার কুকার’ এবং ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ‘রইদ’-এ নতুন রূপে হাজির হয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এবার আরও এক ব্যতিক্রমী চরিত্রে দর্শকদের সামনে আসছেন তিনি।
‘রেহানা মরিয়ম নূর’খ্যাত
নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের মিনিসিরিজ ‘অ্যানি’-তে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন
নাজিফা তুষি। সোমবার (৮ জুন) রাতে প্রকাশিত সিরিজটির অফিসিয়াল ট্রেলার ইতোমধ্যেই দর্শকদের
মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।
এর আগে বিশ্বের
মর্যাদাপূর্ণ সিরিজ উৎসব ‘সেরিয়েনক্যাম্প ফেস্টিভ্যাল’-এর ‘ওমেন ইন সিরিজ’ বিভাগে নির্বাচিত
হয়ে বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ হিসেবে ইতিহাস গড়ে ‘অ্যানি’। ট্রেলার ও পোস্টার প্রকাশের
মাধ্যমে এবার উন্মোচিত হয়েছে রহস্য, অস্বস্তি এবং ডিস্টোপিয়ান বাস্তবতায় নির্মিত সিরিজটির
গল্পের আভাস।
সিরিজটিতে নাজিফা
তুষি অভিনীত অ্যানি একজন তরুণ নার্স, যিনি নিজের পাঁচ ভাইবোনকে আগলে রেখে জীবনযুদ্ধ
চালিয়ে যান। কিন্তু একটি ভয়াবহ হামলার পর তার জীবন আমূল বদলে যায়। ব্যক্তিগত ক্ষত,
চারপাশের সহিংসতা এবং জমে থাকা ঘৃণার সঙ্গে লড়াই করতে করতে অ্যানি এমন এক অন্ধকার জগতে
প্রবেশ করে, যেখানে প্রতিশোধই হয়ে ওঠে তার একমাত্র লক্ষ্য।
মঙ্গলবার (৯ জুন)
জার্মানির কোলনে অবস্থিত সিনেনোভা ভেন্যুর থিয়েটার-৩-এ সিরিজটির বিশ্ব প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত
হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ভিসা জটিলতার কারণে নির্মাতা ও কলাকুশলীরা সরাসরি উপস্থিত থাকতে
না পারলেও অনলাইনে আন্তর্জাতিক দর্শকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেবেন।
নাজিফা তুষির পাশাপাশি
সিরিজটিতে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান, সাইমন সাদিক, সারিকা সাবরিন, ফারহানা মিঠু, নাজাহসহ
আরও অনেকে।
প্রযোজক এহসানুল
হক বাবু বলেন, “উৎসবে সরাসরি অংশ নিতে না পারা অবশ্যই হতাশার। তবে আমরা বিশ্বাস করি,
একটি কাজের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার শিল্পমান। ‘অ্যানি’ সেই শক্তি নিয়েই আন্তর্জাতিক দর্শকদের
সামনে বাংলাদেশের গল্প তুলে ধরবে।”
সিরিজ সংশ্লিষ্টদের
ভাষ্য, চেম্বার ড্রামার আঙ্গিকে নির্মিত ‘অ্যানি’-তে নারী-পুরুষ সম্পর্কের বৈষম্য,
অবিশ্বাস, সামাজিক সহিংসতা এবং ব্যক্তিগত ট্রমার বিষয়গুলো নতুনভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
নির্মাতার প্রত্যাশা, স্থানীয় বাস্তবতার গল্প হলেও এর মানবিক সংকট ও আবেগ আন্তর্জাতিক
দর্শকদের কাছেও সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
একের পর এক ভিন্নধর্মী কাজ দিয়ে দর্শকদের চমকে দিচ্ছেন অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। ‘হাওয়া’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় আলোড়ন তোলা এই অভিনেত্রী সম্প্রতি ঈদুল ফিতরে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রেশার কুকার’ এবং ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ‘রইদ’-এ নতুন রূপে হাজির হয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এবার আরও এক ব্যতিক্রমী চরিত্রে দর্শকদের সামনে আসছেন তিনি।
‘রেহানা মরিয়ম নূর’খ্যাত
নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের মিনিসিরিজ ‘অ্যানি’-তে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন
নাজিফা তুষি। সোমবার (৮ জুন) রাতে প্রকাশিত সিরিজটির অফিসিয়াল ট্রেলার ইতোমধ্যেই দর্শকদের
মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।
এর আগে বিশ্বের
মর্যাদাপূর্ণ সিরিজ উৎসব ‘সেরিয়েনক্যাম্প ফেস্টিভ্যাল’-এর ‘ওমেন ইন সিরিজ’ বিভাগে নির্বাচিত
হয়ে বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ হিসেবে ইতিহাস গড়ে ‘অ্যানি’। ট্রেলার ও পোস্টার প্রকাশের
মাধ্যমে এবার উন্মোচিত হয়েছে রহস্য, অস্বস্তি এবং ডিস্টোপিয়ান বাস্তবতায় নির্মিত সিরিজটির
গল্পের আভাস।
সিরিজটিতে নাজিফা
তুষি অভিনীত অ্যানি একজন তরুণ নার্স, যিনি নিজের পাঁচ ভাইবোনকে আগলে রেখে জীবনযুদ্ধ
চালিয়ে যান। কিন্তু একটি ভয়াবহ হামলার পর তার জীবন আমূল বদলে যায়। ব্যক্তিগত ক্ষত,
চারপাশের সহিংসতা এবং জমে থাকা ঘৃণার সঙ্গে লড়াই করতে করতে অ্যানি এমন এক অন্ধকার জগতে
প্রবেশ করে, যেখানে প্রতিশোধই হয়ে ওঠে তার একমাত্র লক্ষ্য।
মঙ্গলবার (৯ জুন)
জার্মানির কোলনে অবস্থিত সিনেনোভা ভেন্যুর থিয়েটার-৩-এ সিরিজটির বিশ্ব প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত
হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ভিসা জটিলতার কারণে নির্মাতা ও কলাকুশলীরা সরাসরি উপস্থিত থাকতে
না পারলেও অনলাইনে আন্তর্জাতিক দর্শকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেবেন।
নাজিফা তুষির পাশাপাশি
সিরিজটিতে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান, সাইমন সাদিক, সারিকা সাবরিন, ফারহানা মিঠু, নাজাহসহ
আরও অনেকে।
প্রযোজক এহসানুল
হক বাবু বলেন, “উৎসবে সরাসরি অংশ নিতে না পারা অবশ্যই হতাশার। তবে আমরা বিশ্বাস করি,
একটি কাজের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার শিল্পমান। ‘অ্যানি’ সেই শক্তি নিয়েই আন্তর্জাতিক দর্শকদের
সামনে বাংলাদেশের গল্প তুলে ধরবে।”
সিরিজ সংশ্লিষ্টদের
ভাষ্য, চেম্বার ড্রামার আঙ্গিকে নির্মিত ‘অ্যানি’-তে নারী-পুরুষ সম্পর্কের বৈষম্য,
অবিশ্বাস, সামাজিক সহিংসতা এবং ব্যক্তিগত ট্রমার বিষয়গুলো নতুনভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
নির্মাতার প্রত্যাশা, স্থানীয় বাস্তবতার গল্প হলেও এর মানবিক সংকট ও আবেগ আন্তর্জাতিক
দর্শকদের কাছেও সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে।

আপনার মতামত লিখুন