গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের চেষ্টাকালে ৭ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মোংলা বন্দর এলাকার একটি চাতালে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মোংলা বন্দরের খায়রুলের চাতালে আনিসুর ডাক্তার নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে কয়েকটি ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের প্রস্তুতি চলছিল। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন সেখানে গিয়ে ওই ৭ জনকে হাতেনাতে আটক করে। খবর পেয়ে সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, এ ঘটনায় বাংলাদেশ দন্ডবিধি ১৮৬০, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯, নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এবং প্রাণী জবাই ও খাদ্য নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রযোজ্য অন্যান্য আইনের আওতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ও সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে।’
পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
/

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের চেষ্টাকালে ৭ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মোংলা বন্দর এলাকার একটি চাতালে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মোংলা বন্দরের খায়রুলের চাতালে আনিসুর ডাক্তার নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে কয়েকটি ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের প্রস্তুতি চলছিল। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন সেখানে গিয়ে ওই ৭ জনকে হাতেনাতে আটক করে। খবর পেয়ে সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, এ ঘটনায় বাংলাদেশ দন্ডবিধি ১৮৬০, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯, নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এবং প্রাণী জবাই ও খাদ্য নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রযোজ্য অন্যান্য আইনের আওতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ও সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে।’
পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন